
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: বাইরের রাজ্যের ওপর থেকে নির্ভরতা কমিয়ে আলু বীজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে এবার পুরোপুরি স্বয়ম্ভর হতে চাইছে পশ্চিমবঙ্গ। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি খামারে মঙ্গলবার 'পটাটো সিডস্ প্রোডাকশন - প্রবলেম এন্ড প্রসপেক্ট ফর পটাটো সিডস্ গ্রোয়ারস্' শীর্ষক একটি
কর্মশালার আয়োজন করা হয়। একদিনের এই কর্মশালার যৌথ উদ্যোক্তা ছিল সেন্ট্রাল পটাটো রিসার্চ ইনস্টিটিউট, সিমলা এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রপ রিসার্চ এন্ড সিডস্ মাল্টিপ্লিকেশন ফার্ম। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ,সিপিআরআইয়ের চার বিজ্ঞানী ড.এন,কে পান্ডে, ড. রাজেশ কুমার সিং, ড. বিনোদ কুমার, ড.বিনয় সাগর,বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা, জেলা উপ কৃষিকর্তা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি খামারের ডিরেক্টর ড.জয়প্রকাশ কেশরী সহ অন্যান্যরা।

প্রসঙ্গত,আলু উৎপাদনের জন্য এ রাজ্যকে মূলত পাঞ্জাবের ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ীদের খপ্পরে পড়ে চূড়ান্ত ক্ষতিগ্রস্ত হন কৃষকরা। সেক্ষেত্রে বীজ উৎপাদনে রাজ্য স্বয়ম্ভর হলে কৃষকরা ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে পারবেন বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দোপাধ্যায় এদিন জানান, রাজ্যে গড়ে ৬০ লক্ষ মেট্রিক টন আলুর প্রয়োজন। সে জায়গায় গড়ে ১ লক্ষ ১০ মেট্রিক টনের বেশি আলু উৎপাদন হয়। এই উদ্বৃত্ত আলুকে কি করে অন্যান্যভাবে ব্যবহার করা যায় সে ব্যাপারে রাজ্য সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, উৎপাদনের পাশাপাশি আলুর গুণগত মানও যাতে বাড়ে সে ব্যাপারে চাষিদের এগিয়ে আসতে হবে।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই সাহা এদিন জানান, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরণের কাজের জন্য সমস্ত রকমের পরিকাঠামো রয়েছে। তিনি জানান,কৃষিমন্ত্রীর কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি ইণ্টিগ্রেটেড ফার্ম তৈরীর জন্য একটি পরিকল্পনাও তুলে দেওয়া হয়েছে।
ছবি - সুরজ প্রসাদ
