ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,শালবনি: পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলের কাজু চাষ সেইসব অঞ্চলের মানুষের জীবন জীবিকা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির একটি গুরুত্তপূর্ণ অংশ। প্রতি বছর মার্চ মাসে কাজু ফল ও বীজ আসার পর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে ওই এলাকার সরকারি কাজু বাগানের বীজ নিলাম করা হয়। নিলামে সংগৃহিত অর্থের একটি অংশ বেনিফিশিয়ারি হিসাবে পায় কাজু জঙ্গল এলাকায় বসবাসকারী গ্রামবাসীরা।
কিন্তু বিগত বছরগুলোতে এই কাজু জঙ্গল এবং বীজ নিলাম নিয়ে বারবার স্বজন পোষণের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি এই নিলাম ডাককে কেন্দ্র করে বিগত দিনে দাদাগিরি এবং ক্ষমতা প্রদর্শনের ঘটনাও সামনে এসেছে। সাধারণত এতদিন বিভিন্ন সংস্থা এবং এলাকার ছেলেরাই এই নিলামে অংশগ্রহন করতে পারত। কিন্তু বুধবার শালবনি গ্রাম পঞ্চায়েতের বানামালিপুর কাজু জঙ্গল নিলাম ডাক বিগত দিনের সমস্ত ধারা ভেঙে নতুন রেকর্ড তৈরী করল।রীতিমতো পুরুষদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করে শেষ পর্যন্ত কাজু জঙ্গলের বীজ সংগ্রহের অধিকার লাভ করল মহিলা পরিচালিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু স্বনির্ভর গোষ্ঠী।
কিন্তু বিগত বছরগুলোতে এই কাজু জঙ্গল এবং বীজ নিলাম নিয়ে বারবার স্বজন পোষণের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি এই নিলাম ডাককে কেন্দ্র করে বিগত দিনে দাদাগিরি এবং ক্ষমতা প্রদর্শনের ঘটনাও সামনে এসেছে। সাধারণত এতদিন বিভিন্ন সংস্থা এবং এলাকার ছেলেরাই এই নিলামে অংশগ্রহন করতে পারত। কিন্তু বুধবার শালবনি গ্রাম পঞ্চায়েতের বানামালিপুর কাজু জঙ্গল নিলাম ডাক বিগত দিনের সমস্ত ধারা ভেঙে নতুন রেকর্ড তৈরী করল।রীতিমতো পুরুষদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করে শেষ পর্যন্ত কাজু জঙ্গলের বীজ সংগ্রহের অধিকার লাভ করল মহিলা পরিচালিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু স্বনির্ভর গোষ্ঠী।
উল্লেখ্য,গ্রামপঞ্চায়েত নিয়ম অনুসারে কিছুদিন আগে নিলাম নোটিস দিয়েছিল। আজ এই নিলামের ডাক হয়। কিন্তু লক্ষণীয় ভাবে এদিন সকাল থেকেই পঞ্চায়েতে কার্যালয়ে মহিলাদের ভিড় বাড়তে থাকে। বেলা বাড়লে বোঝা যায় কার্যালয়ে জমা হওয়া প্রায় ১৫০ জন মহিলা সকলে নিলাম ডাকে অংশগ্রহণ করার জন্য এসেছেন।প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য। সেইমতো প্রায় ১৫ টি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর নাম নিলামে অংশগ্রহণের জন্য নথিভুক্ত করা হয়। এরপর প্রত্যেকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সিকিউরিটি মানি জমা নেওয়া হয়।
উল্লেখযোগ্য ভাবে মহিলাদের এই উৎসাহ এবং জেদ দেখে এদিন যে সমস্ত ব্যাক্তিরা নিলাম ডাকতে এসেছিলেন তারা পিছু হটতে বাদ্ধ হন। শেষ পর্যন্ত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সহায়ক দল ২লক্ষ ৬০ হাজার টাকায় শালবনি অঞ্চলের বানামালিপুর কাজু জঙ্গলের বীজ সংগ্রহের অধিকার লাভ করে।


