
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সঙ্গে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের অহি-নকুল সম্পর্কের মধ্যেও যখন কেন্দ্রের ঘনিষ্ঠ শিল্পপতিরা এই রাজ্যে হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগের আশ্বাস দিচ্ছেন,তখন সেই শিল্পতিদেরই রীতিমতো কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক। রবিবার বর্ধমান সদর উত্তর মহকুমার ৩দিনের শ্রমিক মেলার উদ্বোধন করে মন্ত্রী কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের ঘনিষ্ট শিল্পপতি আদানি ও আম্বানিদের বিরুদ্ধে রীতিমতো তোপ দাগেন। বলেন, তাদের ব্যাঙ্কে কোটি কোটি টাকা থাকলেও কোনো অসুবিধা নেই, অথচ গরিব,খেটে খাওয়া মানুষের ওপর যত কোপ পড়ছে। কেন্দ্র সরকার সেই সমস্ত শিল্পপতিদের রক্ষা করতে গিয়ে চরম সংকটের মুখে ফেলছে সাধারণ মানুষকে। এখন আবার এফআরডিআই চালু হতে চলেছে। আগে ব্যাঙ্কে টাকা রেখে সাধারণ মানুষ নিশ্চিত হতেন। সাধারণ মানুষ যাঁরা ব্যাঙ্কে ৫০ লক্ষের কম টাকা রাখেন যত অসুবিধা তাদেরই। কিন্তু আদানি-আম্বানিদের এতে কোনো অসুবিধা নেই। তারা হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলেও তাদের বিরুদ্ধে কিছু হবে না।অথচ এর কোপ এসে পড়ছে আর্থিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষের ওপর। যারা বাসে, ট্রেনে যাতায়াত করেন তাদের ওপর। এই সব শিল্পপতিদের জন্যই সাধারণ মানুষের ওপর বোঝা চাপতে চলেছে। এদের বিরুদ্ধে, এই কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে সকলকে লড়াইয়ে এগিয়ে আসারও এদিন ডাক দিয়েছেন রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক।
মলয় ঘটক এদিন তার বক্তব্যে বারবারই বিঁধেছেন বিগত বাম সরকারকে। তিনি বলেছেন, যেখানে শ্রম দপ্তরের অসংগঠিত শ্রমিকদের জন্য বাম আমলে বরাদ্দ ছিল মাত্র ৯ কোটি টাকা, সেখানে বর্তমান বরাদ্দ ১০০ গুণ বাড়িয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায় করেছেন ১ হাজার ৮ কোটি টাকা। অস্বচ্ছতা দূর করতে, মাঝপথের দালালরাজ খতম করতে সরাসরি সুবিধা প্রাপকদের ব্যাঙ্ক এ্যাকাউণ্টে টাকা দেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত গোটা রাজ্যে ৯২ লক্ষ অসংগঠিত শ্রমিক নথীভূক্ত হয়েছেন। খুব শীঘ্রই ১ কোটি হতে চলেছে এই সংখ্যা।
এদিন মলয়বাবু বর্ধমান সদর মহকুমার অন্তর্গত ২২০৩ জন বিভিন্ন শ্রমিকদের জন্য মোট ২,২৬, ৯৯, ৪৭১ টাকার সুবিধা প্রদান করেন। এছাড়াও ৪৯৮ জনের হাতে পাশবই তুলে দেওয়া হয়। সাধারণ মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ বাবদ ৩০ জনের হাতে ১৫,২৭,৪০৫ টাকা, দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ বাবদ ৩ জনকে ৫ লক্ষ টাকা, শিক্ষাখাতে স্নাতক ৭ জনের হাতে ৪২ হাজার টাকা, স্নাতকোত্তর কোর্সের জন্য ৩ জনের হাতে ২৮ হাজার টাকা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনার জন্য ২ জনের হাতে ৬০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়। মেলা চলবে ১৬ জানুয়ারী পর্যন্ত।
এদিন এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবু টুডু, সহকারী সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব, এলাকার বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি সহ শ্রম দপ্তরের জয়েণ্ট লেবার কমিশনার তীর্থঙ্কর সেনগুপ্ত প্রমুখরাও।
উল্লেখ্য, এদিন মেমারীতে বর্ধমান সদর দক্ষিণ মহকুমার শ্রমিক মেলারও উদ্বোধন করেন শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক।
এদিন মলয়বাবু বর্ধমান সদর মহকুমার অন্তর্গত ২২০৩ জন বিভিন্ন শ্রমিকদের জন্য মোট ২,২৬, ৯৯, ৪৭১ টাকার সুবিধা প্রদান করেন। এছাড়াও ৪৯৮ জনের হাতে পাশবই তুলে দেওয়া হয়। সাধারণ মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ বাবদ ৩০ জনের হাতে ১৫,২৭,৪০৫ টাকা, দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ বাবদ ৩ জনকে ৫ লক্ষ টাকা, শিক্ষাখাতে স্নাতক ৭ জনের হাতে ৪২ হাজার টাকা, স্নাতকোত্তর কোর্সের জন্য ৩ জনের হাতে ২৮ হাজার টাকা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনার জন্য ২ জনের হাতে ৬০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়। মেলা চলবে ১৬ জানুয়ারী পর্যন্ত।
এদিন এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবু টুডু, সহকারী সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব, এলাকার বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি সহ শ্রম দপ্তরের জয়েণ্ট লেবার কমিশনার তীর্থঙ্কর সেনগুপ্ত প্রমুখরাও।
উল্লেখ্য, এদিন মেমারীতে বর্ধমান সদর দক্ষিণ মহকুমার শ্রমিক মেলারও উদ্বোধন করেন শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক।
ছবি - সুরজ প্রসাদ
