
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমান:দৃঢ়তা ও সৃষ্টিশীল চিন্তাভাবনার উন্মেষ ঘটাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে দুদিন ব্যাপী ছাত্র যুব বিজ্ঞান মেলা শুরু হল বর্ধমানে। এবছর বিজ্ঞান মেলার থিম দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের লক্ষ্যে আবিষ্কার। এর সঙ্গে রয়েছে স্বাস্থ্য ও সুস্থ জীবন, সম্পদ সংগঠন ও খাদ্য সুরক্ষা, বর্জ্য সংগঠন ও জলাভূমি সংরক্ষণ, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, নবীকরণযোগ্য শক্তি ও গাণিতিক মডেল নির্মাণের ভাবনাও।
বৃহস্পতিবার বর্ধমান মিউনিসিপাল হাই স্কুলে এই বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবু টুডু। হাজির ছিলেন জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব, অতিরিক্ত জেলাশাসক (শিক্ষা) প্রবীর চট্টোপাধ্যায়. অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) রত্নেশ্বর রায়, জেলা পরিষদের নারী ও শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ নারায়ণ হাজরা চৌধুরী, বর্ধমান ১নং পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী ফাল্গুনী দাস রজক, রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিক স্বপন কুমার পান, বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল বয়েজ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ড. শম্ভুনাথ চক্রবর্তী প্রমুখ।
জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব এদিন উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন,শিক্ষা মানেই শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়,হাতেকলমে উদ্ভাবনী শক্তি বাড়ানোর প্রয়াস। মডেল বা এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে বিজ্ঞানের ব্যাবহারিক দিকের প্রয়োগ ছাত্রছাত্রীরা যত বেশি করতে পারবে উদ্ভাবনী শক্তির তত বিকাশ হবে। প্রশ্ন করার প্রবৃত্তিই পড়ুয়াদের এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন,আমরা উন্নয়নের কথা সবসময় বলি,কিন্তু ধারাবাহিক উন্নয়ন সেটাই যে বহু বছর পরেও মানুষ তার সুফল পাবে।
বর্ধমান মিউনিসিপাল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শম্ভুনাথ চক্রবর্তী জানান,এবছর বিজ্ঞান মেলায় পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার মোট ১২২টি স্কুল অংশগ্রহণ করেছে। মোট ১৭৪টি মডেল প্রদর্শিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বর্ধমান মিউনিসিপাল হাই স্কুলে এই বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবু টুডু। হাজির ছিলেন জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব, অতিরিক্ত জেলাশাসক (শিক্ষা) প্রবীর চট্টোপাধ্যায়. অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) রত্নেশ্বর রায়, জেলা পরিষদের নারী ও শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ নারায়ণ হাজরা চৌধুরী, বর্ধমান ১নং পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী ফাল্গুনী দাস রজক, রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিক স্বপন কুমার পান, বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল বয়েজ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ড. শম্ভুনাথ চক্রবর্তী প্রমুখ।
জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব এদিন উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন,শিক্ষা মানেই শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়,হাতেকলমে উদ্ভাবনী শক্তি বাড়ানোর প্রয়াস। মডেল বা এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে বিজ্ঞানের ব্যাবহারিক দিকের প্রয়োগ ছাত্রছাত্রীরা যত বেশি করতে পারবে উদ্ভাবনী শক্তির তত বিকাশ হবে। প্রশ্ন করার প্রবৃত্তিই পড়ুয়াদের এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন,আমরা উন্নয়নের কথা সবসময় বলি,কিন্তু ধারাবাহিক উন্নয়ন সেটাই যে বহু বছর পরেও মানুষ তার সুফল পাবে।
বর্ধমান মিউনিসিপাল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শম্ভুনাথ চক্রবর্তী জানান,এবছর বিজ্ঞান মেলায় পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার মোট ১২২টি স্কুল অংশগ্রহণ করেছে। মোট ১৭৪টি মডেল প্রদর্শিত হচ্ছে।
ছবি - সুরজ প্রসাদ
