ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ অবসরপ্রাপ্ত বাবার কাছ থেকে টাকা চেয়ে না পাওয়ায় শ্বাসরোধ করে বাবাকে খুনের ঘটনায় ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করলেন বিচারক। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে বর্ধমান শহরে। ২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর বর্ধমান শহরের লক্ষ্মীপুর মাঠ জোড়ামন্দির এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে বর্ধমান শহরের প্রাক্তন নামী ফুটবলার ও ক্রিকেট প্রশিক্ষক তথা প্রাক্তন ক্রিকেটরা তুষার ঘোষকে (৭৫) খুন করার ঘটনায় তারই ছেলে কৌশিক ঘোষকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করলেন বর্ধমান আদালতের দ্বিতীয় ফাষ্ট ট্রাক কোর্টের বিচারক অঞ্জন কুমার সেনগুপ্ত।
আদালত সুত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন বাবাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে নিজেই বর্ধমান থানায় আত্মসমর্পণ করেন কৌশিক। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাবার কাছ থেকে নিয়মিত টাকা চাইত কৌশিক। দুর্গাপুর অ্যালয় স্টিল প্লান্টের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী তুষারবাবু সবসময় ছেলের চাহিদা মেটাতে পারতেন না। সেজন্য তাকে মারধর করা হত। ঘটনার দিনও টাকা চেয়ে না পাওয়ায় তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে কৌশিক। এরপরই সরাসরি সে বর্ধমান থানায় চলে আসে।পুলিশকে জানায়, সেই তার বাবাকে খুন করেছে। এরপর কৌশিককে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ তুষারবাবুর মৃতদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ১১জনের সাক্ষী গ্রহণ করে আদালত। প্রত্যেক সাক্ষীই কৌশিকের বিরুদ্ধেই মত প্রকাশ করেন। বুধবার ধৃতের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন নাকি ফাঁসি কোন শাস্তি দেওয়া হবে তা বিচারক সরাসরি কৌশিককেই জিজ্ঞাসা করেন। তার উত্তরে কৌশিক নিজেকে নির্দোষ বলে দাবী করেন। আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে তার হয়ে কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি। আদালত লিগ্যাল এডের পক্ষ থেকে তাঁকে আইনী সহায়তা দেয়। বৃহস্পতিবার বিচারক উভয়পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনেন। বিচারক এদিন কৌশিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। একইসঙ্গে তাঁর ২ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ বছরের হাজতবাসের নির্দেশ জারী করেন। বিচারের পর কৌশিকের পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, এই আদালতের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
আদালত সুত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন বাবাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে নিজেই বর্ধমান থানায় আত্মসমর্পণ করেন কৌশিক। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাবার কাছ থেকে নিয়মিত টাকা চাইত কৌশিক। দুর্গাপুর অ্যালয় স্টিল প্লান্টের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী তুষারবাবু সবসময় ছেলের চাহিদা মেটাতে পারতেন না। সেজন্য তাকে মারধর করা হত। ঘটনার দিনও টাকা চেয়ে না পাওয়ায় তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে কৌশিক। এরপরই সরাসরি সে বর্ধমান থানায় চলে আসে।পুলিশকে জানায়, সেই তার বাবাকে খুন করেছে। এরপর কৌশিককে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ তুষারবাবুর মৃতদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় ১১জনের সাক্ষী গ্রহণ করে আদালত। প্রত্যেক সাক্ষীই কৌশিকের বিরুদ্ধেই মত প্রকাশ করেন। বুধবার ধৃতের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন নাকি ফাঁসি কোন শাস্তি দেওয়া হবে তা বিচারক সরাসরি কৌশিককেই জিজ্ঞাসা করেন। তার উত্তরে কৌশিক নিজেকে নির্দোষ বলে দাবী করেন। আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে তার হয়ে কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি। আদালত লিগ্যাল এডের পক্ষ থেকে তাঁকে আইনী সহায়তা দেয়। বৃহস্পতিবার বিচারক উভয়পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনেন। বিচারক এদিন কৌশিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। একইসঙ্গে তাঁর ২ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ বছরের হাজতবাসের নির্দেশ জারী করেন। বিচারের পর কৌশিকের পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, এই আদালতের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

