
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক, খণ্ডঘোষঃ প্রায় ১২ বছর যোগাযোগ ছিল না ছেলের সঙ্গে, ছেলের চিন্তায় রাতের ঘুম উড়েছিল বাবা-মা সহ পরিবারের অন্যদের। অবশেষে চরম বেদনাদায়ক খবরে মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়লেন গোটা পরিবার। সোমবার খণ্ডঘোষ থানা থেকে পরিবারকে জানিয়ে দেওয়া হল তাঁদের ছোট ছেলে গণেশ পুনেতে আত্মহত্যা করেছে। কার্যত এই খবরে রীতিমত মুষড়ে পড়েছেন ঘোষ পরিবার। এতবছর পর এই ভাবে যে ছেলের খবর আসবে তা ভাবতেও পারছেন না বাবা মুক্তিপদ ঘোষ, মা সরস্বতী ঘোষ, দাদা কার্তিক ঘোষ সকলেই । কেন গণেশ আত্মহত্যা করল, কিভাবে করল সে ব্যাপারে তাঁরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে। এদিকে খণ্ডঘোষ থানা থেকে খবর আসার পরই পুণের হোটেল থেকে গণেশের মৃতদেহ আনতে ঘোষ পরিবারের ৪ সদস্য এদিনই দুপুরেই রওনা হয়েছেন পুণের উদ্দেশ্যে।
জানা গেছে,রোজগারের নেশায় প্রায় ১২ বছর আগে বাড়ি ছেড়েছিলেন গণেশ ঘোষ। ১২ বছর আগে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেলেও ভিন রাজ্য থেকে ফের একমাস পরেই আবার বাড়িও ফিরে আসেন। কিন্তু ভিন রাজ্যে কাজের নেশায় দশদিন বাড়িতে কাটাতে না কাটাতেই ফের পাড়ি দিয়েছিলেন সুদুর পুণেতে। সেখানেই একটি হোটেলে কাজ করছিলেন গণেশ ঘোষ (৩০)। এই বারো বছরে আর বাড়ি মুখো হননি। এমনকি কার্যত বাড়িতে থাকা বাবা মুক্তিপদ ঘোষ, মা সরস্বতী ঘোষ এবং বড় দাদা কার্তিক ঘোষের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ ছিল না। ১২ বছর আগে খণ্ডঘোষের ওয়ানিয়া গ্রাম থেকে যাবার কিছুদিন পরই সে তার মোবাইলের সিমও পরিবর্তন করে ফেলে। ফলে সম্পূর্ণ যোগাযোগই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তার বাড়ির সঙ্গে।আর তারপর থেকেই কার্যত ছোট ছেলে গণেশের শোকে পরিবারের সকলেই মানষিক অবসাদে ভুগছিলেন।
জানা গেছে,রোজগারের নেশায় প্রায় ১২ বছর আগে বাড়ি ছেড়েছিলেন গণেশ ঘোষ। ১২ বছর আগে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেলেও ভিন রাজ্য থেকে ফের একমাস পরেই আবার বাড়িও ফিরে আসেন। কিন্তু ভিন রাজ্যে কাজের নেশায় দশদিন বাড়িতে কাটাতে না কাটাতেই ফের পাড়ি দিয়েছিলেন সুদুর পুণেতে। সেখানেই একটি হোটেলে কাজ করছিলেন গণেশ ঘোষ (৩০)। এই বারো বছরে আর বাড়ি মুখো হননি। এমনকি কার্যত বাড়িতে থাকা বাবা মুক্তিপদ ঘোষ, মা সরস্বতী ঘোষ এবং বড় দাদা কার্তিক ঘোষের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ ছিল না। ১২ বছর আগে খণ্ডঘোষের ওয়ানিয়া গ্রাম থেকে যাবার কিছুদিন পরই সে তার মোবাইলের সিমও পরিবর্তন করে ফেলে। ফলে সম্পূর্ণ যোগাযোগই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তার বাড়ির সঙ্গে।আর তারপর থেকেই কার্যত ছোট ছেলে গণেশের শোকে পরিবারের সকলেই মানষিক অবসাদে ভুগছিলেন।
মুক্তিপদবাবু জানিয়েছেন, এই বারো বছরে ছেলের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি। তাঁরা গরীব পরিবার। কিন্তু এভাবে যে ছেলের খবর আসবে তা তাঁরা ভাবতেও পারছেন না।
খণ্ডঘোষ থানা সূত্রে জানা গেছে, গলায় ফাঁস দিয়ে গণেশ আত্মহত্যা করেছে বলে তাঁদের কাছে খবর এসেছে। মৃতদেহের পাশে একটি সুইসাইড নোটও সেখানকার পুলিশ উদ্ধার করেছে। সেখানে গণেশের শেষ ইচ্ছা, তার মৃতদেহ বাড়িতে পৌঁছে দেবার আবেদন সহ বাড়ির ঠিকানা লেখা ছিল। সেই সূত্র ধরেই সোমবার সকালে মহারাষ্ট্র পুলিশ যোগাযোগ করে বর্ধমান পুলিশের সঙ্গে।
