
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ বর্ধমান শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের গুডশেড রোড ও পাড়াপুকুর এলাকায় ডায়রিয়ার প্রকোপ কিছুটা কমল। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেপুটি সুপার ডা. অমিতাভ সাহা জানিয়েছেন, শনিবার সকাল পর্যন্ত মোট ১৩জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের অবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল। অন্যদিকে, এই দুই এলাকায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এদিনই পুরসভার চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল খোকন দাসের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল এলাকায় যান।
খোকন দাস জানিয়েছেন, তাঁরা পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছেন। একইসঙ্গে এই এলাকায় সমস্ত পুরসভার পানীয় জলের পাইপ লাইনগুলিকে খতিয়ে দেখা হয়েছে। কোথাও ত্রুটি পাওয়া যায়নি। এলাকার মানুষের স্বার্থে পুরসভার ৩টি পানীয় জলের ট্যাঙ্ককে ২৪ ঘণ্টা মজুদ রাখা হয়েছে ।আগামী ৭ দিন এই এলাকায় বিশুদ্ধ পানিয় জল সরবরাহ করা হবে।
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পুরসভার জলের পাইপ লাইনে কোন ত্রুটি না থাকে তাহলে কেন বাইরে থেকে পানীয় জল সরবরাহ করছে পৌরসভা।জানা গেছে, অনেকেই ভয়ে পুরসভার জল খেতে চাইছেন না ।পাশাপাশি পুর এলাকার একটি ওয়ার্ডে একসঙ্গে এতজন মানুষ অসুস্থ হওয়ার পরেও এলাকায় স্থানীয় কাউন্সিলারের দেখা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।
খোকন দাস জানিয়েছেন, তাঁরা পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছেন। একইসঙ্গে এই এলাকায় সমস্ত পুরসভার পানীয় জলের পাইপ লাইনগুলিকে খতিয়ে দেখা হয়েছে। কোথাও ত্রুটি পাওয়া যায়নি। এলাকার মানুষের স্বার্থে পুরসভার ৩টি পানীয় জলের ট্যাঙ্ককে ২৪ ঘণ্টা মজুদ রাখা হয়েছে ।আগামী ৭ দিন এই এলাকায় বিশুদ্ধ পানিয় জল সরবরাহ করা হবে।
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পুরসভার জলের পাইপ লাইনে কোন ত্রুটি না থাকে তাহলে কেন বাইরে থেকে পানীয় জল সরবরাহ করছে পৌরসভা।জানা গেছে, অনেকেই ভয়ে পুরসভার জল খেতে চাইছেন না ।পাশাপাশি পুর এলাকার একটি ওয়ার্ডে একসঙ্গে এতজন মানুষ অসুস্থ হওয়ার পরেও এলাকায় স্থানীয় কাউন্সিলারের দেখা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।
