
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক, বর্ধমানঃ বর্ধমান সদরের স্বর্ণশিল্পীদের নিয়ে তৃণমূলের পৃথক একটি সংগঠন গড়ে তোলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরেই চাপান উতোর চলার পর সোমবার সন্ধ্যে থেকেই সম্মুখ সমরে নামল দুটি সংগঠন। সিংহভাগ স্বর্ণশিল্পীদের না জানিয়েই কিভাবে বর্ধমান তৃণমূল কংগ্রেস স্বর্ণশিল্পী ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতি গঠিত হল – তা নিয়েই সোমবার সন্ধ্যে থেকেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহর জুড়ে।
এদিকে, আচমকাই তৃণমূলের নামে পৃথক একটি সমিতি গড়ার ঘটনায় ১৯৬৭ সালের সংগঠন বর্ধমান সদর স্বর্ণশিল্পী ওয়েলফেয়ার সমিতি মঙ্গলবার বর্ধমান ও সন্নিহিত অঞ্চল জুড়ে একদিনের প্রতীকি ব্যবসা বন্ধের ডাক দিয়েছেন। সোমবারই এই রেজিষ্টার্ড সংগঠনের বর্ধিত একটি সাধারণ সভায় এব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। মূলতই অবাঞ্ছিতভাবে এবং কয়েকজন বিতর্কিত স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যসাধনের জন্য বর্ধমানে তৃণমূলের নামে এই ধরণের একটি সংগঠন গড়ে তোলার ঘটনার প্রতিবাদ হিসাবেই মঙ্গলবারের এই ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। ইতিমধ্যেই শহর জুড়ে এবাপারে মাইকিং সহ লিফলেট ছড়ান হয়েছে।
উল্লেখ্য, নয়া ওই সংগঠনও লিফলেট বিলি করে স্বর্ণশিল্পীদের স্বার্থে কাজ করার ডাক দিয়েছে। বর্ধমান সদর স্বর্ণশিল্পী ওয়েলফেয়ার সমিতির সম্পাদক স্বরূপ কোনার জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই একটি চক্র সক্রিয় ছিল। তারাই মূলত তৃণমূলের নামে পৃথক একটি সংগঠন গড়ে তুলেছেন। নয়া এই সংগঠনের নেতৃত্বে এমন কয়েকজন রয়েছেন যাঁদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে বলেও লিফলেটে উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবারই ওই সংগঠনের একটি সভাও ডাকা হয়েছে লক্ষ্মীনারায়ণ জীউ মন্দির চত্বর এলাকায়। স্বরূপবাবু জানিয়েছেন, নয়া এই সংগঠনের বিষয়ে অধিকাংশ স্বর্ণশিল্পীরাই সম্পূর্ণ অন্ধকারে। উল্লেখ্য, নয়া এই সংগঠনের আহ্বায়ক হিসাবে নাম রয়েছে বর্ধমান শহরের এক প্রভাবশালী নেতারও।

