Headlines
Loading...
গরম পড়তেই চাহিদা বাড়ছে আখের রসের

গরম পড়তেই চাহিদা বাড়ছে আখের রসের


গৌরনাথ চক্রবর্ত্তী, কাটোয়া: গ্রীষ্মের খরতাপে যখন মনে হয় গলা শুকিয়ে যাচ্ছে তখন একগ্লাস আখের রস যেন প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। এমন পরিস্থিতি এখন গ্রাম থেকে শহর প্রায় সর্বত্র। কৃষিপণ্য আখ একদিকে যেমন স্বস্তি মেটাচ্ছে চাষীর,অন্যদিকে তেমনই অর্থ জোগাচ্ছে ক্ষুদ্ররস বিক্রেতার ঘরে।ফলে আর্থিক সুরাহা মিলছে গরিব মানুষদের। 

কাটোয়া ২নং পঞ্চায়েত সমিতির সামনে চাকা ঘুরিয়ে রস বের করে গ্লাসে ভরে ক্রেতার হাতে তুলে দিচ্ছেন আখের রস বিক্রেতা চিত্তরঞ্জন মণ্ডল। চিত্তরঞ্জনের বাড়ি কাটোয়া ১নংব্লকের সুদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নসীপুর গ্রামে। দাঁইহাট শহরে ঘুরে ঘুরে রস বিক্রি করেন চিত্তরঞ্জন। এক গ্লাস রসের বিনিময়ে ১০টাকা দাম নিচ্ছেন।"চামেলি কি সাদি"সিনেমার ওম প্রকাশের মতো হাসি হেসে চিত্তরঞ্জন জানালেন, এটি আমার সারা বছরেরর রুটি রোজগার। পাইকেরী ভাবে বেলের হাট,সমুদ্রগড়ের বাজার থেকে আখ কিনে আনতে হয়। আখের দামও বেড়েছে। শীতকালে ১০০পিস আখের দাম যেখানে ছিল ৫০০টাকা,সেখানে গ্রীষ্মকালে ১০০পিস আখের দাম দাঁড়িয়েছে ১২০০টাকা। তবে আখের দাম বাড়লেও চাহিদাও বাড়ছে হু হু করে। 

চিত্তরঞ্জনবাবু হো হো করে হেসে বললেন, সকলকে রসে বশে রেখেই পরিবার চলছে।গরম যত পড়বে আয়ও বাড়বে।সুতরাং তীব্র গরমে বিজয় মণ্ডল,কুরচি নিবাসী লক্ষ্মীকান্ত কর্মকারের মতো খদ্দেররা ছুটে এলে আখচাষি,গ্রাহক ও বিতরক সকলেরই লাভ ছাড়া লোকসান নেই।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});