ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,দক্ষিণ দিনাজপুরঃ
কুশমণ্ডি থানার দেহাবন্দ এলাকার আদিবাসী যুবতীকে গণধর্ষণের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই ঘটনার জেরে আরও একবার খবরের শিরোনামে কুশমণ্ডি। এবার এক আদিবাসী বিধবার শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মমেনুল হক (৪০) নামে ওই ব্যক্তিকে গণপ্রহার দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। যদিও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ,শুক্রবার রাতে কুশমণ্ডি থানার কাপুরিয়া এলাকায় হোলি উপলক্ষে বাউল গান চলছিল। এই এলাকাতেই বাড়ি আদিবাসী বিধবা মহিলার। বাড়িতে চোলাই মদ বিক্রি করতেন বলে সূত্রের খবর। এদিন রাতে ওই বিধবা বাড়িতে একা থাকাকালীন মমেনুল হক তার বাড়িতে যায়। অভিযোগ,মদ্যপ অবস্থায় সে ওই বিধবা মহিলার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয়রা ওই ব্যক্তিকে আটকে রেখে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কুশমণ্ডি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এরপর মমেনুলকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।
এবিষয়ে গ্রামবাসী বিমল মুর্মু জানান, বিষয়টি জানতে পেরে তারা ঘটনাস্থলে আসেন। ধৃত যুবককে বেঁধে মারধর করার পর পুলিশের হাতে তুলে দেয় উত্তেজিত জনতা। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। যদিও এখন পর্যন্ত ওই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে কুশমণ্ডি থানা। কুশমণ্ডি থানার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে পুরো বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখবেন।
এদিকে একের পর এক আদিবাসী মহিলার উপর শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন। এবার বড়সড় আন্দোলনে নামার হুমকি দেওয়া হয়েছে আদিবাসী সংগঠন গুলির পক্ষ থেকে।

