Headlines
Loading...
আলিপুর সেন্ট্রাল জেল বন্ধ করে বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের পরিকাঠামোকে বাড়ানো হচ্ছে

আলিপুর সেন্ট্রাল জেল বন্ধ করে বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের পরিকাঠামোকে বাড়ানো হচ্ছে


ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক পূর্ব বর্ধমান:বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের পরিকাঠামোর উন্নতি ঘটিয়ে সেখানে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলের বন্দিদের ধাপে ধাপে আনা হবে বলে জানালেন কারা বিভাগের ডিজি অরুণ কুমার গুপ্তা। পাশাপাশি বন্ধ করে দেওয়া হবে আলিপুর সহ বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক জেলখানা। শুক্রবার বর্ধমানের কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের তিনতলা পুরুষ ব্যারাকের উদ্বোধন করতে এসে ডিজি জানান, প্রথম দফায় আলিপুর থেকে ৩০০ বন্দিকে বর্ধমানে এনে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের পরিকাঠামো বাড়ানো হচ্ছে। আগামী এক বছরের মধ্যেই এখানে গড়ে তোলা হবে মহিলা ব্যারাক এবং ডিআইজি (কারা) ভবন। বন্দীর সংখ্যা বাড়ানো হলে এই সংশোধনাগারের কর্মীর সংখ্যাও বাড়ানো হবে বলে এদিন জানান ডিজি। তিনি জানান,বর্তমানে বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে ৬৫৭ জন বন্দী রয়েছে । মোট কারারক্ষী রয়েছেন ৮০। পরিকাঠামো উন্নয়নে নবনির্মিত পুরুষ ব্যারাকের জন্য খরচ পড়েছে ১ কোটি ৮ লক্ষ টাকা। এছাড়া ডিআইজি ভবনের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ কোটি ৪৮ লক্ষ টাকা। 

প্রসঙ্গত, আলিপুর সেন্ট্রাল জেলের পাশাপাশি প্রেসিডেন্সি জেলকেও বন্ধ করে সেখানকার বন্দীদের অন্যত্র সরানো হবে বলে কারা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। এদিন ডিজি অরুণ গুপ্তা জানান,সম্প্রতি হুগলী জেলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্যের সমস্ত জেলখানাগুলিতে অভ্য়ন্তরীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করা হচ্ছে। ডিআইজি, এআইজি, জেল সুপারদের প্রতিদিন নিয়ম করে  আসামী তথা বন্দীদের চেকআপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বন্দীদের  হাতে মোবাইল ফোন পৌঁছে যাবার ব্যাপারটি চিন্তায় রেখেছে কারা দপ্তরকে। এক্ষেত্রে কারাকর্মীদের কাজে গাফিলতির ঘটনায় ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। 

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি (কারা) বর্ধমান রেঞ্জ নবীন সাহা, বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের সুপার শুভেন্দুকৃষ্ণ ঘোষ, বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার কুণাল আগরওয়াল, অতিরিক্ত জেলাশাসক (কারা) নিখিল নির্মল প্রমুখ। ডিজি এদিন জানান,বর্ধমান কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে হ্যাণ্ডলুম তথা তাঁতের কাজের পাশাপাশি জুট এবং কাঠের কাজও করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্ধমানে ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিট না থাকায় দমদম সেন্ট্রাল জেলের মত নানাবিধ হস্তশিল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছেনা। 
                                                                                                    ছবি - সুরজ প্রসাদ 
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});