

দেবাশীষ বাবু বলেন, এছাড়াও পাখিদের সংখ্যা বাড়িয়ে থাকার জন্য তৈরী করা হচ্ছে খাঁচা।সেখানে নিয়ে আসা হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির নানা ধরণের পাখিও। থাকবে বাঁদরের বেশ কয়েকটি প্রজাতি। নিয়ে আসা হচ্ছে শিয়ালও (জ্যাকেল )। এছাড়া সারস,সজারু,কচ্ছপ তো রয়েছেই।
দেবাশীষবাবু বলেন, ঐতিহাসিক বর্ধমান শহরের এই অভায়ারণ্যের ইতিহাস তুলে ধরা হবে পর্যটকদের কাছে। দর্শকরা পার্কে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে পড়লে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য তৈরী করা হচ্ছে বিশেষ বসার ব্যবস্থা। তবে এবার থেকে পার্কের নিরাপত্তা এবং পরিবেশের কথা চিন্তা করে চিড়িয়াখানায় ঢোকার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হচ্ছে প্ল্যাষ্টিক সামগ্রী।
দেবাশীষবাবু বলেন, রমনা বাগানের এই জুলজিক্যাল পার্কের ভৌগোলিক অবস্থানের জন্য বর্ষার সময় জল জমে যাওয়ায় কিছু সমস্যা দেখা দেয়। অতিবৃষ্টির ফলে এবছর খালের জল উপচে ঢুকে যাওয়ায় পশুদের অসুবিধা হয়েছিল। তাই পরিখা খোঁড়া হয়েছে।সেখানে বসানো হচ্ছে স্লুইস গেট। এরই পাশাপাশি কেন্দ্রীয় জু কর্তৃপক্ষের নির্দেশানুসারে পশু পাখিদের খাবার তৈরী করা ও রাখার জায়গাকে নতুন করে বিজ্ঞান সম্মতভাবে তৈরী করার কাজও হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, তাঁরা আশা করছেন আগামী জানুয়ারী মাসের মধ্যেই এই প্রকল্পের সিংহভাগ কাজ শেষ হয়ে নতুনরূপে পর্যটকদের সামনে খুলে দেওয়া যাবে।
দেবাশীষবাবু বলেন, রমনা বাগানের এই জুলজিক্যাল পার্কের ভৌগোলিক অবস্থানের জন্য বর্ষার সময় জল জমে যাওয়ায় কিছু সমস্যা দেখা দেয়। অতিবৃষ্টির ফলে এবছর খালের জল উপচে ঢুকে যাওয়ায় পশুদের অসুবিধা হয়েছিল। তাই পরিখা খোঁড়া হয়েছে।সেখানে বসানো হচ্ছে স্লুইস গেট। এরই পাশাপাশি কেন্দ্রীয় জু কর্তৃপক্ষের নির্দেশানুসারে পশু পাখিদের খাবার তৈরী করা ও রাখার জায়গাকে নতুন করে বিজ্ঞান সম্মতভাবে তৈরী করার কাজও হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, তাঁরা আশা করছেন আগামী জানুয়ারী মাসের মধ্যেই এই প্রকল্পের সিংহভাগ কাজ শেষ হয়ে নতুনরূপে পর্যটকদের সামনে খুলে দেওয়া যাবে।


