Headlines
Loading...
কালনায় উপস্থিতির হার নগন্য,পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হলো না ১০০ পরীক্ষার্থীকে।

কালনায় উপস্থিতির হার নগন্য,পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হলো না ১০০ পরীক্ষার্থীকে।

পল্লব ঘোষ,কালনা: গত ৭০ দিনে কেউ ৫ দিন আর কেউ ২০ দিন স্কুলে এসেছে। আর সেই কারণেই ১০০ জন ছাত্রীকে কার্যত পরীক্ষাতেই বসতে দিলো না স্কুল কতৃপক্ষ। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের মহিষমর্দিনী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। এই ঘটনায় বুধবার সকালে রীতিমতো আলোড়ন তৈরী হয়। ঘটনায় প্রকাশ,বুধবার এই স্কুলে নবম ও দশম শ্রেনির বাংলা ও ইংরাজী পরীক্ষা ছিল। যথা সময়ে পরীক্ষার্থীরা স্কুলেও এসেছিলো। কিনতু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দুটি শ্রেণী মিলিয়ে প্রায় একশো পরীক্ষার্থীকে জানিয়ে দেন তাদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।ছাত্রীরা কারণ জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষিকা জানিয়ে দেন,গত মে মাস থেকে অগাস্ট পর্যন্ত সেই সব ছাত্রীদের গড় উপস্থিতির হার মাত্র ২০ দিন। এতো কম স্কুলে আসার জন্যই তাদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।
এই ঘটনায় পড়ুয়া ও অভিভাকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
পডুয়াদের উপস্থিতির হার এতটাই খারাপ ছিল যে অভিভাবকরা নিজেরাই অপ্রস্তূত হয়ে পড়েন। অবশেষে ঠিক হয় এর পর থেকে স্কুলে উপস্থিতি ঠিক ভাবে হবে এই কথা লিখিত ভাবে অভিভাবকরা জমা দিলে তবেই বাকি পরীক্ষাগুলিতে ছাত্রীরা বসতে পারবে।এরপরই অভিভাবকরা সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে  প্রধান শিক্ষিকাকে জানিয়ে দেন এর পর থেকে এই ভুল আর তাদের সন্তানরা করবে না।
এদিকে স্কুলের  খবর ততক্ষনে পৌঁছে যায় কালনা মহকুমা শাসক দপ্তরে। ঘটনাস্থলে আসেন কালনা মহকুমা শাসক দপ্তরের দুইজন ডেপুটি ম্যাজিস্টেট। আসেন অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রিয়ব্রত মুখোপাধ্যায়। তাঁরা সহকারি প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে আলোচনা করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শুক্লা মণ্ডল বলেন, কিছু পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির হার খুবই কম থাকায় তাদের পরীক্ষায় বসতে বারন করা হয়। অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনায় বিষয়টি মিটে গেছে।
 তবে, এদিনের পরীক্ষা পরীক্ষার্থীরা পরে দিতে পারবে কিনা সেই বিষয়ে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।
কালনা মহকুমা শাসক নীতিন সিংহানিয়া বলেন, দু মাসের ওপর ছাত্রীরা নিয়মিত স্কুলে আসছে না জেনেও সেই বিষয়ে স্কুল কি ব্যবস্থা নিয়েছে সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});