পল্লব ঘোষ,কালনা : চিকিৎসকের গাফিলতিতে এক সদ্যোজাত শিশুর হাত ভাঙলো কালনা মহকুমা হাসপাতালে। এমনই অভিযোগ তুলেছেন রোগীর আত্মীয়রা। বর্তমানে শিশুটিকে এসএনসিইউ তে রেখে চিকিৎসা চলছে।
হাসপাতাল সুপার কৃষ্ণচন্দ্র বরাই বলেন, এক প্রসূতির নর্মাল ডেলিভারি হওয়ার সময় সদ্যজাতের হাতে চোট পায় বলে জানতে পেরেছি । অনেক সময় মায়েদের গর্ভস্থ সন্তান সঠিক জায়গায় না থাকায় ডেলিভারির ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। চিকিৎসার কোনো গাফিলতি হয়নি। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।
স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত ১০.৩০ মিনিট নাগাদ কালনা থানার বৈদ্যপুর রামনগর এলাকার বাসিন্দা পূজা মান্ডি প্রসব যন্ত্রনা নিয়ে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হয়। রাত দুটো নাগাদ নর্মাল ডেলিভারি করে তার একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। পরদিন সকালে পূজা মান্ডি দেখতে পান তার সন্তান খুব কাঁদছে। বাঁ হাতটা নাড়াতে পারছে না। চিকিৎসক ও নার্সদের জানালে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
সোমবার রোগীর পরিবারের লোকেরা উত্তেজিত হয়ে পরলে তড়িঘড়ি শিশুটির হাতের এক্সরে করা হয়। দেখা যায় সদ্যোজাতের বাঁ হাতের হারে চির ধরেছে। সন্ধ্যায় শিশুটিকে এসএনসিইউ তে ভর্তি রেখে চিকিৎসা শুরু করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
প্রসূতির মা আরতি মান্ডি বলেন, প্রসবের সময় তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে ডাক্তারেরা। বলার পরেও কেউ গুরুত্ব দিচ্ছিলনা। আমরা গরিব মানুষ, বুঝতে পারছি না হাতটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে কিনা।
হাসপাতাল সুপার কৃষ্ণচন্দ্র বরাই বলেন, এক প্রসূতির নর্মাল ডেলিভারি হওয়ার সময় সদ্যজাতের হাতে চোট পায় বলে জানতে পেরেছি । অনেক সময় মায়েদের গর্ভস্থ সন্তান সঠিক জায়গায় না থাকায় ডেলিভারির ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। চিকিৎসার কোনো গাফিলতি হয়নি। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।
স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত ১০.৩০ মিনিট নাগাদ কালনা থানার বৈদ্যপুর রামনগর এলাকার বাসিন্দা পূজা মান্ডি প্রসব যন্ত্রনা নিয়ে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হয়। রাত দুটো নাগাদ নর্মাল ডেলিভারি করে তার একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। পরদিন সকালে পূজা মান্ডি দেখতে পান তার সন্তান খুব কাঁদছে। বাঁ হাতটা নাড়াতে পারছে না। চিকিৎসক ও নার্সদের জানালে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
সোমবার রোগীর পরিবারের লোকেরা উত্তেজিত হয়ে পরলে তড়িঘড়ি শিশুটির হাতের এক্সরে করা হয়। দেখা যায় সদ্যোজাতের বাঁ হাতের হারে চির ধরেছে। সন্ধ্যায় শিশুটিকে এসএনসিইউ তে ভর্তি রেখে চিকিৎসা শুরু করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
প্রসূতির মা আরতি মান্ডি বলেন, প্রসবের সময় তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে ডাক্তারেরা। বলার পরেও কেউ গুরুত্ব দিচ্ছিলনা। আমরা গরিব মানুষ, বুঝতে পারছি না হাতটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে কিনা।

