Headlines
Loading...
ডিভিসি জল ছাড়লো ১ লক্ষ ১০ হাজার ৩৪৯ কিউসেক।

ডিভিসি জল ছাড়লো ১ লক্ষ ১০ হাজার ৩৪৯ কিউসেক।

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমান: মঙ্গলবার সকাল থেকে কমেছে বৃষ্টির পরিমাণ। কিন্তু রবিবার থেকে জল ছাড়তে শুরু করছে ডিভিসি। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার দামোদর, অজয় ও ভাগরথী নদীতে এখন পর্যন্ত জল বইছে প্রথমিক বিপোদ সীমার নিচে দিয়ে। তাই এখনই বন্যা পরিস্থিতি তৈরী হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই জেলাতে। সেচ দফতরের বর্ধমান ডিভিশনের এক পদস্থ কর্তা জানান, দামোদর নদের বাঁধের উপরে নজরদারি চালানো হচ্ছে। কোথাও ফাঁক-ফোকর থাকলে তা মেরামত করে দেওয়া হবে। ডিভিসি যদি বেশি জল ছাড়ে তখন হয়তো নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সরাতে হতে পারে। তবে এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই।
নিম্নচাপ সরেছে, তাই কমেছে বৃষ্টি। কিন্তু ডিভিসি জল ছাড়া শুরু করায় ফুলে উঠছে জেলার নদীগুলি। যদিও প্রশাসনের দাবি, জল বাড়লেও বন্যার কোন আশঙ্কা নেই। জেলার প্রতিটি নদীই আছে প্রথমিক বিপদসীমার নিচেই। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের এক কর্তা জানান, ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ছে। তাই মঙ্গলবার সন্ধ্যে ৬ টা পর্যন্ত ১ লক্ষ ১০ হাজার ৩৪৯ কিউসেক পর্যন্ত জল ছেড়েছে ডাউন দুর্গাপুর ব্যারেজ। রাতের দিকে নতুন করে জল ছাড়লে জেলার নিচু এলাকা, রায়না, মন্তেশ্বর ও খন্ডঘোষের বেশ কিছু গ্রাম জলমগ্ন হতে পারে।
এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার কথা বললেও আগাম সতর্কতা নিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলা শাসক অনুরাগ শ্রীবাস্ত বলেন, ‘জেলার প্রতিটি নদীতে জল বইছে প্রাথমিক বিপদসীমার নিচেই। তবুও আমরা জেলার প্রতিটি ব্লক ও গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিকে সর্তক থাকতে বলেছি। জেলার বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জল ছাড়ার বিষয়টি নজরে রেখেছে।’
নিম্নচাপের জেরে শুক্রবার বার থেকে জেলাতে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। কখনও ভারি কখন আবার ঝিড়ঝিড়ে বৃষ্টি হয়েই চলেছে।মঙ্গলবার সকাল থেকে তেমন বৃষ্টি না হলেও ডিভিসি সহ তিলপাড়া ও হিংলো জলধারা থেকে জল ছাড়াতে অজয় নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে জেলা প্রশাসনের। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ওই নদে জল বাড়তে শুরু করেছে।
জেলার বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের আধিকারিক বামদেব কুন্ডু বলেন, ‘বন্যার আগাম সর্তকতা হিসাবে জেলাতে ত্রিপল, শুকনো খাবার মজুত করা হয়েছে। 
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});