

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ নদী আবার রেকর্ড হয় নাকি! কিন্তু রেকর্ড হয়ে যাচ্ছে। একটু একটু করে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে নদী। রবিবার বর্ধমান জেলা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এক সভায় জল সংরক্ষণ নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এভাবেই আত্মসমালোচনায় মুখর হলেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।
তিনি বলেন, কালনা মহকুমার আধাঁরে নদী, মুড়িগঙ্গা নদীর রেকর্ড হয়ে গেছে। কোনোটা ২০ বছর আগে আবার কোথাও ৫ বছর আগে। তিনি এব্যাপারে ভূমি দপ্তরের সঙ্গে কথাও বলেছেন। কিভাবে নদী ব্যক্তিগত মালিকানায় রেকর্ড হয় তিনি জানতে চেয়ে তা বাতিল করার আবেদনও করেছেন। এব্যাপারে সকলকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এদিন স্বপনবাবু। জল সংরক্ষণের প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এদিন বলেন, জল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সবার আগে দরকার জলের অপচয় বন্ধ করা। সেব্যাপারে সকলকেই পথে নামতে হবে। কয়লাকে সম্পদ হিসাবে আমরা দেখলেও জলকে দেখতে শিখিনি। কিন্তু এখন সে সময় এসেছে। এব্যাপারে আন্তরিকভাবেই পথে নামতে হবে।
এদিন স্বপনবাবু বলেন, জল সংরক্ষণের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত গাছ লাগানোর বিষয়টিও। স্বপনবাবু বলেন, তাঁর খারাপ লাগে গাছ লাগানো এবং বাঁচানোর থেকে সকলেরই বেশি আগ্রহ গাছ কাটার প্রতি। এদিন তিনি বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহের ক্ষেত্রে এলাকাভিত্তিক জলাশয়, নদীগুলিকে ব্যবহার করার ওপর জোড় দেবার ওপর জন্য তিনি ডাক দেন। তিনি বলেন, জল সংরক্ষণের জন্য কয়েকটা মিছিল কিংবা ঘটা করে সভা করলে হবে না। প্রয়োজন এব্যাপারে গণ আন্দোলনের প্রয়োজন । রাজনীতি নির্বিশেষে গণ আন্দোলন করতে হবে। এদিন এই সভায় অন্যান্যদের মধ্যে হাজির ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, কর্মাধ্যক্ষ বাগবুল ইসলাম, উত্তম সেনগুপ্ত, মহম্মদ ইসমাইল,বর্ধমান পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার অমিত গুহ, জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক কুশল চক্রবর্তী, প্রেস ক্লাবের সম্পাদক শরদিন্দু ঘোষ প্রমুখরাও।
তিনি বলেন, কালনা মহকুমার আধাঁরে নদী, মুড়িগঙ্গা নদীর রেকর্ড হয়ে গেছে। কোনোটা ২০ বছর আগে আবার কোথাও ৫ বছর আগে। তিনি এব্যাপারে ভূমি দপ্তরের সঙ্গে কথাও বলেছেন। কিভাবে নদী ব্যক্তিগত মালিকানায় রেকর্ড হয় তিনি জানতে চেয়ে তা বাতিল করার আবেদনও করেছেন। এব্যাপারে সকলকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এদিন স্বপনবাবু। জল সংরক্ষণের প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এদিন বলেন, জল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সবার আগে দরকার জলের অপচয় বন্ধ করা। সেব্যাপারে সকলকেই পথে নামতে হবে। কয়লাকে সম্পদ হিসাবে আমরা দেখলেও জলকে দেখতে শিখিনি। কিন্তু এখন সে সময় এসেছে। এব্যাপারে আন্তরিকভাবেই পথে নামতে হবে।
এদিন স্বপনবাবু বলেন, জল সংরক্ষণের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত গাছ লাগানোর বিষয়টিও। স্বপনবাবু বলেন, তাঁর খারাপ লাগে গাছ লাগানো এবং বাঁচানোর থেকে সকলেরই বেশি আগ্রহ গাছ কাটার প্রতি। এদিন তিনি বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহের ক্ষেত্রে এলাকাভিত্তিক জলাশয়, নদীগুলিকে ব্যবহার করার ওপর জোড় দেবার ওপর জন্য তিনি ডাক দেন। তিনি বলেন, জল সংরক্ষণের জন্য কয়েকটা মিছিল কিংবা ঘটা করে সভা করলে হবে না। প্রয়োজন এব্যাপারে গণ আন্দোলনের প্রয়োজন । রাজনীতি নির্বিশেষে গণ আন্দোলন করতে হবে। এদিন এই সভায় অন্যান্যদের মধ্যে হাজির ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া, কর্মাধ্যক্ষ বাগবুল ইসলাম, উত্তম সেনগুপ্ত, মহম্মদ ইসমাইল,বর্ধমান পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার অমিত গুহ, জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক কুশল চক্রবর্তী, প্রেস ক্লাবের সম্পাদক শরদিন্দু ঘোষ প্রমুখরাও।