
এদিন গ্রামবাসী প্রবীর মণ্ডল অভিযোগ করেছেন, মোটা টাকা কাটমানি নিয়ে ডিভিসির সেচ ক্যানেলের ধারে সরকারি জমি একাধিক ব্যক্তিকে বিক্রি করে দিয়েছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা প্রভাত মাঝি। এমনকি ডিভিসির সেচ ক্যানেল কেটেও বিক্রি করা হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গোঁসাইপাড়ার বাঁকা নদীর ধার সহ ডিভিসির সেচ ক্যানেলের পাড়কে ফুট হিসাবে কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে বহু মানুষকে বাড়ি তৈরীর অনুমোদন দিয়েছেন প্রভাত মাঝি। এখনও পর্যন্ত পাওয়া অভিযোগ অনুসারে প্রভাত মাঝি সহ আরও কয়েকজন তৃণমূল কর্মী এই কাজে যুক্ত। সব মিলিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা এভাবে কাটমানি নেওয়া হয়েছে বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ।

উল্লেখ্য, প্রভাত মাঝি বৈকুন্ঠপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা টুম্পা মাঝির স্বামী। গ্রামবাসীরা রবিবার সেচ ক্যানেলের পাড়ে একটি বাড়ি তৈরীর কাজ বন্ধ করে দেন। এরপরই তাঁরা প্রভাত মাঝির বাড়ি ঘেরাও করেন। যদিও সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এলাকাবাসীদের বচসা বাধে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পৌঁছায় শক্তিগড় থানার পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যাকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়।
যদিও ওই পঞ্চায়েত সদস্যা টুম্পা মাঝি জানিয়েছেন, আদৌ তার স্বামী টাকা নিয়েছেন কি না তিনি জানেন না। তবুও গ্রামবাসীরা যে অভিযোগ করেছেন, সেটা তাঁরা একটি বৈঠকের মাধ্যমে আলোচনা করে মিটিয়ে নেবেন। এলাকাবাসীরা দাবী করেছেন,অবিলম্বে যাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়া হয়েছে তাদের কাটমানি ফিরিয়ে দিতে হবে।
