
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ শেষমেষ অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে বর্ধমানবাসীর। ভোটের পরই আগামী মে মাসের মধ্যেই দীর্ঘ বেশ কয়েকবছর পর বর্ধমান শহরের রমনা বাগান অভয়ারণ্যে আগমন ঘটতে চলেছে চিতা বাঘের। পশু ও প্রকৃতিপ্রেমী দর্শকরা এখন থেকে রমনা বাগান অভয়ারণ্যে প্রবেশ করতেই মুখোমুখি হবেন এই লেপার্ডদের। ইতিমধ্যেই লেপার্ডদের রাখার খাঁচার কাজ প্রায় শেষ। নিরাপত্তাজনিত বিষয়গুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ খতিয়ে দেখার কাজও প্রায় শেষের দিকে।
জেলা বনাধিকারীক দেবাশীষ সামন্ত জানিয়েছেন, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী খুব শীঘ্রই রমনা বাগানে আনা হচ্ছে দুটি লেপার্ড, একটি ভল্লুক, কয়েকটি বার্কিং ডিয়ার (হরিণ)। এছাড়াও ধাপে ধাপে আরও বেশ কিছু পশু পক্ষী যেমন ঘড়িয়াল, খরগোশ প্রভৃতি নিয়ে আসা হবে এই অভয়ারণ্যে। ঘড়িয়াল রাখার জন্য ইতিমধ্যেই নতুন করে একটি পুকুর খনন করা হয়েছে। সেটিকে ঘেরার কাজ চলছে। এই মুহূর্তে দ্রুত গতিতে পশুদের রাখার জন্য এনক্লোজারের কাজ শেষ করার প্রক্রিয়া চলছে। কয়েকদিনের মধ্যেই বাকি কাজ শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু যেহেতু বর্ধমানে ২৯ এপ্রিল ভোট। তাই ভোটের জন্য পশুদের আনার বিষয়টি একটু পিছিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, ভোট না থাকলে এপ্রিল মাসের মধ্যেই এই পশুরা রমনাবাগানে চলে আসত। তবে আগামী মে মাসের মধ্যে উত্তরবঙ্গ থেকে লেপার্ড আর কলকাতা আলিপুর জু থেকে বার্কিং ডিয়ার এখানে চলে আসবে। পরে একটি ভল্লুকও নিয়ে আসা হবে। আনা হবে ঘড়িয়াল(কুমীর)।
পাশাপাশি দর্শকদের বন্য গাছগাছালি এবং বিভিন্ন পশুপাখিদের সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য রমনাবাগান অভয়ারণ্যের এই পার্কে তৈরী হতে চলেছে নতুন একটি সেণ্টার। দেবাশীষবাবু জানিয়েছেন, এই সেণ্টারে দর্শকরা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। থাকবে ছবি ও তথ্য। সেভাবেই তৈরী করা হচ্ছে কেন্দ্রটিকে।
এদিকে, বুধবার রমনাবাগানের আবাসিক একটি বানরের বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুকে নিয়েই ঘুরে বেড়াচ্ছে মা বানর। কিছুতেই তার কাছ থেকে বানরটিকে উদ্ধার করা যাচ্ছিল না। দীর্ঘ চেষ্টার পর অবশেষে মৃত বানর শিশুকে উদ্ধার করে বন দপ্তরের কর্মীরা। বনাধিকারীক দেবাশীষ সামন্ত জানিয়েছেন, জন্মের পর থেকে পুরুষ বানরেরা বাচ্ছাটিকে আগলে রেখেছিল। মায়ের কাছে যেতে পারায় অভুক্ত অবস্থায় বাচ্চাটি মারা গেছে।
জেলা বনাধিকারীক দেবাশীষ সামন্ত জানিয়েছেন, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী খুব শীঘ্রই রমনা বাগানে আনা হচ্ছে দুটি লেপার্ড, একটি ভল্লুক, কয়েকটি বার্কিং ডিয়ার (হরিণ)। এছাড়াও ধাপে ধাপে আরও বেশ কিছু পশু পক্ষী যেমন ঘড়িয়াল, খরগোশ প্রভৃতি নিয়ে আসা হবে এই অভয়ারণ্যে। ঘড়িয়াল রাখার জন্য ইতিমধ্যেই নতুন করে একটি পুকুর খনন করা হয়েছে। সেটিকে ঘেরার কাজ চলছে। এই মুহূর্তে দ্রুত গতিতে পশুদের রাখার জন্য এনক্লোজারের কাজ শেষ করার প্রক্রিয়া চলছে। কয়েকদিনের মধ্যেই বাকি কাজ শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু যেহেতু বর্ধমানে ২৯ এপ্রিল ভোট। তাই ভোটের জন্য পশুদের আনার বিষয়টি একটু পিছিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, ভোট না থাকলে এপ্রিল মাসের মধ্যেই এই পশুরা রমনাবাগানে চলে আসত। তবে আগামী মে মাসের মধ্যে উত্তরবঙ্গ থেকে লেপার্ড আর কলকাতা আলিপুর জু থেকে বার্কিং ডিয়ার এখানে চলে আসবে। পরে একটি ভল্লুকও নিয়ে আসা হবে। আনা হবে ঘড়িয়াল(কুমীর)।
পাশাপাশি দর্শকদের বন্য গাছগাছালি এবং বিভিন্ন পশুপাখিদের সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য রমনাবাগান অভয়ারণ্যের এই পার্কে তৈরী হতে চলেছে নতুন একটি সেণ্টার। দেবাশীষবাবু জানিয়েছেন, এই সেণ্টারে দর্শকরা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। থাকবে ছবি ও তথ্য। সেভাবেই তৈরী করা হচ্ছে কেন্দ্রটিকে।
এদিকে, বুধবার রমনাবাগানের আবাসিক একটি বানরের বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুকে নিয়েই ঘুরে বেড়াচ্ছে মা বানর। কিছুতেই তার কাছ থেকে বানরটিকে উদ্ধার করা যাচ্ছিল না। দীর্ঘ চেষ্টার পর অবশেষে মৃত বানর শিশুকে উদ্ধার করে বন দপ্তরের কর্মীরা। বনাধিকারীক দেবাশীষ সামন্ত জানিয়েছেন, জন্মের পর থেকে পুরুষ বানরেরা বাচ্ছাটিকে আগলে রেখেছিল। মায়ের কাছে যেতে পারায় অভুক্ত অবস্থায় বাচ্চাটি মারা গেছে।
