
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,কলকাতাঃ কলকাতার বাংলাদেশ উপ হাইকমিশন পালন করল দেশের গণহত্যা দিবস এবং ৪৯তম স্বাধিনতা দিবস ৷ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কতৃক বাংলাদেশে নারকীয় হত্যাকান্ডের তীব্র ধিৎকার জানান হলো ৷ প্রদর্শিত হলো নারকীয় হত্যাকান্ডের আলোকচিত্র প্রদর্শনি এবং প্রদর্শিত হলো হত্যাকান্ডের ওপর নির্মিত প্রামান্যচিত্র ৷ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কতৃক প্রদত্ত বানীপাঠ করেন যথাক্রমে দূতাবাস প্রধান বিক্রম জামাল হোসেন ও কাউন্সেলর মনসূর আহমেদ ৷ হাজির ছিলেন উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান, উপহাইকমিশনের প্রথম প্রেস সচিব মোঃ মোফাকখারুল ইকবাল সহ বহুবিশিষ্ঠ ব্যক্তিবৃন্দ ৷

উপ হাইকমিশনারের বক্তব্যে উঠে আসে 'বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধে নির্মম গণহত্যার স্বীকৃতি খোদ পাকিস্তান সরকার প্রকাশিত দলিলেও আছে ৷' ১৯৭১ সালের ১লা মার্চ থেকে ২৫ মার্চ রাত পর্যন্ত এক লক্ষেরও বেশি মানুষের জীবনহানি হয়েছিল ৷ এরপরই ২৬ মার্চ আসে মহান স্বাধীনতা দিবস ৷ দেখতে দেখতে বাংলাদেশ পৌঁছে গেলো ৪৯ তম মহান স্বাধীনতা দিবসে ৷ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরন করা হলো বাংলাদেশের স্থপতি তথা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ বীর বিপ্লবীদের ৷ বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশীরা মেতে ওঠেন এই জাতীয় দিবসে ৷ কলকাতায় বাংলাদেশি দের মাঝে শুভেচ্ছা ছড়িয়ে দিলেন এটিএন বাংলার কলকাতার কর্ণধার তপন রায় ৷ বিজয় দিবসের অনুষ্টানে মিশে গেলো এপার - ওপার দুই বাংলাই।
