
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমানঃ হাওড়ার লিলুয়ার গাড়ি চালক তথা গাড়ি মালিক কুন্দন মহারাজকে খুন করার ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এখনও এই ঘটনার কোনো কিনারা হয়নি। পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে। অপরদিকে, এই খুনের ঘটনার পর থেকেই উঠে এসেছে একাধিক প্রশ্ন ।
বর্ধমান শহর লাগোয়া ২নং জাতীয় সড়কের ধার থেকে কুন্দন মহারাজের মৃতদেহ উদ্ধার হলেও তাঁর ইনোভা গাড়িটি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১২ কিমি দূরে গলসী থানার নলা এলাকায় জাতীয় সড়কের ধার থেকে উদ্ধার করে। গোটা গাড়ীর মধ্যে এখনও জমাট রক্ত পড়ে রয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এই গাড়ির মধ্যে থেকে একটি ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুষ্কৃতিদের গাড়ি হাইজ্যাক করার উদ্দেশ্য ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তদন্তের স্বার্থে পুলিশ ফিঙ্গার প্রিণ্ট বিশেষজ্ঞদের তলব করেছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে জাতীয় সড়কে থাকা সিসিটিভি ফুটেজও। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান বর্ধমানের জাতীয় সড়কে সতীমা কোল্ড স্টোরেজের কাছে গাড়িটিকে দাঁড় করিয়ে গাড়ির মধ্যেই এলোপাথাড়ি কোপানো হয় কুন্দন মহারাজকে। এরপর তার মৃতদেহ রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে গাড়ি নিয়ে চম্পট দেয় তারা। কিন্তু গলসীর নলার কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি বাঁদিকে পরপর ধাক্কা মারতে থাকে। তাতেই সামনের বাঁ দিকের চাকা ফেটে যায়। এরপরই গাড়িটিকে ফেলে দিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতিরা।
জানা গেছে, হাওড়ার লিলুয়ার অশোকা হোটেল থেকে রওনা হওয়ার আগেই যাত্রীদের মধ্যে দুজনের ছবি এবং তাদের ভোটার সচিত্র পরিচয়পত্রের ছবি তুলে রেখেছিলেন কুন্দন মহারাজ। ইতিমধ্যেই এই ছবি পুলিশের হাতেও এসেছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একাধিক কিছু নমুনা তাদের হাতে আসায় খুব শীঘ্রই দুষ্কৃতিদের ধরা পড়ার ব্যাপারে তারা আশাবাদী।
বর্ধমান শহর লাগোয়া ২নং জাতীয় সড়কের ধার থেকে কুন্দন মহারাজের মৃতদেহ উদ্ধার হলেও তাঁর ইনোভা গাড়িটি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১২ কিমি দূরে গলসী থানার নলা এলাকায় জাতীয় সড়কের ধার থেকে উদ্ধার করে। গোটা গাড়ীর মধ্যে এখনও জমাট রক্ত পড়ে রয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এই গাড়ির মধ্যে থেকে একটি ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুষ্কৃতিদের গাড়ি হাইজ্যাক করার উদ্দেশ্য ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তদন্তের স্বার্থে পুলিশ ফিঙ্গার প্রিণ্ট বিশেষজ্ঞদের তলব করেছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে জাতীয় সড়কে থাকা সিসিটিভি ফুটেজও। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান বর্ধমানের জাতীয় সড়কে সতীমা কোল্ড স্টোরেজের কাছে গাড়িটিকে দাঁড় করিয়ে গাড়ির মধ্যেই এলোপাথাড়ি কোপানো হয় কুন্দন মহারাজকে। এরপর তার মৃতদেহ রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে গাড়ি নিয়ে চম্পট দেয় তারা। কিন্তু গলসীর নলার কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি বাঁদিকে পরপর ধাক্কা মারতে থাকে। তাতেই সামনের বাঁ দিকের চাকা ফেটে যায়। এরপরই গাড়িটিকে ফেলে দিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতিরা।
জানা গেছে, হাওড়ার লিলুয়ার অশোকা হোটেল থেকে রওনা হওয়ার আগেই যাত্রীদের মধ্যে দুজনের ছবি এবং তাদের ভোটার সচিত্র পরিচয়পত্রের ছবি তুলে রেখেছিলেন কুন্দন মহারাজ। ইতিমধ্যেই এই ছবি পুলিশের হাতেও এসেছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একাধিক কিছু নমুনা তাদের হাতে আসায় খুব শীঘ্রই দুষ্কৃতিদের ধরা পড়ার ব্যাপারে তারা আশাবাদী।
