ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,ভাতারঃ মেঝেতে বসে ছেলেকে কোলে নিয়ে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন মা। হটাতই কানে আসে ফোঁস ফোঁস শব্দ। খাটের নিচে উঁকি দিতেই হাড় হিম হয়ে আসার জোগাড় গৃহবধূর। ছেলে নিয়ে ধড়ফড় করে উঠেই চিৎকার করতে শুরু করেন তিনি। ছুটে আসেন গৃহবধূর স্বামী সুমিত সরকার। তিনিও ঘরের মধ্যে খাটের নিচে তাকাতেই শিউড়ে ওঠেন। এ কি কাণ্ড! কিলবিল করছে একঝাক বিষধর সাপ। চিৎকার চেঁচামেচিতে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। অবশেষে খাটের তলা থেকে বের করা হয় বিষধর সাপগুলিকে। তার পরে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনা বর্ধমানের ভাতারের দাউড়াডাঙ্গা গ্রামের। এই ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়ায় গ্রামে।
সুমিতবাবু জানিয়েছেন, ‘‘স্ত্রীর চিৎকারে ছুটে এসে এত সাপ একসঙ্গে ঘরের মধ্যে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। প্রথমে ১৪টি সাপকে লাঠি দিয়ে টেনে বার করে জঙ্গলে ফেলে দিয়ে আসা হয়। তার পর বাড়ি ফিরে আসার কিছুক্ষণ পর আরও বেশকিছু সাপ ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। সেগুলিকেও একে একে ধরে জঙ্গলে ছেড়ে দিয়ে আসা হয়। মোট ১৯ টি সাপ ঘর থেকে উদ্ধার হয়। সুমিত বাবু জানিয়েছেন, সাপগুলো সব গোখরোর বাচ্চা ছিল।
এদিকে এই ঘটনার পর সাপের আতঙ্কে ভুগছে গ্রামবাসী। আরও সাপ থাকার আশঙ্কায় এলাকাবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

