
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ রোগীর পরিবারের সঙ্গে বর্ধমানের একটি নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের বচসা থেকে মারধোরের অভিযোগে পুলিশী সহায়তা চেয়ে আবেদন করেও তা না পাওয়ায় শনিবার রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন বর্ধমানের নার্সিংহোম মালিক পক্ষ। এদিন বর্ধমান শহরের কার্জন গেটের সামনে বর্ধমান শহর ও শহর লাগোয়া প্রায় ৫৪টি নার্সিংহোম মালিক এবং নার্সিংহোমের কর্মচারীও এই প্রতিবাদ বিক্ষোভে সামিল হন।
বর্ধমান নার্সিংহোম মালিক এ্যাসোসিয়েশন এবং দক্ষিণবঙ্গ নার্সিংহোম মালিক এ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সেখ আলহ্বাজউদ্দিন এদিন জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে বর্ধমানের রেনেসা উপনগরীর কাছে একটি নার্সিংহোমে রোগীপক্ষ ঝামেলা বাধায়। রোগীপক্ষের লোকজন রীতিমত মদ্যপ অবস্থায় ভিতরে ঢুকে নার্সিংহোমের কয়েকজন মালিককে মারধর করে বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় নার্সিংহোম থেকে বিষয়টি সংগঠনকে জানানো হয়।
সেখ আলহ্বাজউদ্দিন জানান, তিনি বর্ধমান থানার আইসি-কে ফোন করে সহায়তা চান। তাঁর অভিযোগ, ফোনে আইসি তুষারকান্তি করের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি রীতিমত অভদ্র ভাষায় তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। আই সি ফোনে পরিস্কার তাকে জানিয়ে দেন, 'আপনাদের সমস্যা আপনারা মেটাবেন, আমাদের পুলিশকে ডাকবেন না'। এমনকি উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশের একটি ভ্যান ওই নার্সিংহোমে গেলেও তাঁরা কার্যত ঠুঁটো জগন্নাথের মতই দাঁড়িয়ে থাকায় সেব্যাপারেও তিনি আইসিকে অনুরোধ করেন। অভিযোগ, আইসি সে খেত্রেও তাকে হুমকি দিয়ে জানিয়ে দেন,' পুলিশ স্ট্যাচুর মতই দাঁড়িয়ে থাকবে।'
সেখ আলহ্বাজউদ্দিন এদিন অভিযোগ করেছেন, ঘটনার সময় সাহায্য চেয়ে আইসি কে ফোন করতেই তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এক বছর আগে তাঁর বাবা কোন নার্সিং হোমে মারা গেছেন সেই কথা শুনিয়ে তিনি চিৎকার করে বলতে থাকেন, 'নার্সিংহোমে আপনারা কি ট্রিটমেন্ট করেন, কি সেবা করেন আমার জানা আছে।ও সব আমায় শেখাবেন না।' আরও বলেন,' আমার পেশেন্ট মরবে আর আপনি পয়সা নিয়ে ব্যাবসা করবেন? সেখ আলহ্বাজউদ্দিন জানান, আই সি নার্সিংহোমগুলোকে মুরগির পোলট্রির সঙ্গে তুলনাও করেছেন এই সময়।
সেখ আলহ্বাজউদ্দিন জানিয়েছেন,এব্যাপারে তাঁরা জেলা প্রশাসন সহ নবান্নেও আইসির অপসারণের দাবীতে এবং তাঁদের নিরাপত্তা প্রদানের দাবীতে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশ নিরাপত্তা দিতে না পারলে তাঁরা সমস্ত নার্সিংহোমই বন্ধ করে দেবেন।
এদিকে শনিবার নার্সিংহোম সুত্রেই জানা গেছে, গলসি থানার মোল্লা সরিদ এলাকার ভাসপুরের বাসিন্দা বিমলচন্দ্র রায়(৬৭)কে ১৯ জুন ভর্তি করা হয়েছিল ওই নার্সিংহোমে। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। রোগীপক্ষের অভিযোগ ছিল, রোগীকে ভেণ্টিলেশনে না রেখে সাধারণ বেডে রাখা হয়। এমনকি কোনো হৃদরোগ বিশেষজ্ঞও ছিল না। যদিও নার্সিংহোম কতৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।সেখ আলহ্বাজউদ্দিন জানিয়েছেন, রোগী ভর্তির পর হার্টের ডাক্তার রোগীকে দেখে চিকিৎসা শুরু করেছেন। রাতের দিকে সেই ডাক্তার থাকেন না। তাই আরএমও রোগীর পর্যবেক্ষণে ছিলেন।
এদিকে বর্ধমান থানার সহযোগিতা চেয়েও নার্সিংহোম কতৃপক্ষ সাহায্য পায়নি এবং আইসি ফোনে তাঁদের সঙ্গে দুরবাবহার করেছেন এই প্রসঙ্গে বর্ধমানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রিয়ব্রত রায় জানিয়েছেন, এই ধরণের কোনো অভিযোগ তাঁরা পাননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সেখ আলহ্বাজউদ্দিন এদিন অভিযোগ করেছেন, ঘটনার সময় সাহায্য চেয়ে আইসি কে ফোন করতেই তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এক বছর আগে তাঁর বাবা কোন নার্সিং হোমে মারা গেছেন সেই কথা শুনিয়ে তিনি চিৎকার করে বলতে থাকেন, 'নার্সিংহোমে আপনারা কি ট্রিটমেন্ট করেন, কি সেবা করেন আমার জানা আছে।ও সব আমায় শেখাবেন না।' আরও বলেন,' আমার পেশেন্ট মরবে আর আপনি পয়সা নিয়ে ব্যাবসা করবেন? সেখ আলহ্বাজউদ্দিন জানান, আই সি নার্সিংহোমগুলোকে মুরগির পোলট্রির সঙ্গে তুলনাও করেছেন এই সময়।
সেখ আলহ্বাজউদ্দিন জানিয়েছেন,এব্যাপারে তাঁরা জেলা প্রশাসন সহ নবান্নেও আইসির অপসারণের দাবীতে এবং তাঁদের নিরাপত্তা প্রদানের দাবীতে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশ নিরাপত্তা দিতে না পারলে তাঁরা সমস্ত নার্সিংহোমই বন্ধ করে দেবেন।
এদিকে শনিবার নার্সিংহোম সুত্রেই জানা গেছে, গলসি থানার মোল্লা সরিদ এলাকার ভাসপুরের বাসিন্দা বিমলচন্দ্র রায়(৬৭)কে ১৯ জুন ভর্তি করা হয়েছিল ওই নার্সিংহোমে। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। রোগীপক্ষের অভিযোগ ছিল, রোগীকে ভেণ্টিলেশনে না রেখে সাধারণ বেডে রাখা হয়। এমনকি কোনো হৃদরোগ বিশেষজ্ঞও ছিল না। যদিও নার্সিংহোম কতৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।সেখ আলহ্বাজউদ্দিন জানিয়েছেন, রোগী ভর্তির পর হার্টের ডাক্তার রোগীকে দেখে চিকিৎসা শুরু করেছেন। রাতের দিকে সেই ডাক্তার থাকেন না। তাই আরএমও রোগীর পর্যবেক্ষণে ছিলেন।
এদিকে বর্ধমান থানার সহযোগিতা চেয়েও নার্সিংহোম কতৃপক্ষ সাহায্য পায়নি এবং আইসি ফোনে তাঁদের সঙ্গে দুরবাবহার করেছেন এই প্রসঙ্গে বর্ধমানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রিয়ব্রত রায় জানিয়েছেন, এই ধরণের কোনো অভিযোগ তাঁরা পাননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
