
পিয়ালী দাস,বীরভূমঃ তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।
বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে বীরভূমের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মোদীর সভাপতি। বেলা ১১টা ১৫ মিনিট নাগাদ তারাপীঠের কাছে তারাপুরে নামে অমিত শাহের হেলিকপ্টার। সেখান থেকে সড়কপথে বিজেপি সভাপতির কনভয় পৌঁছোয় তারাপীঠের মন্দিরে। এদিন অমিত শাহকে বীরভূমে স্বাগত জানাতে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব অভিনব আয়োজন করে। শতাধিক ঢাকের বোলে স্বাগত জানানো হয় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতিকে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের কথায়, 'অন্য সময় অনুব্রত মণ্ডল চড়াম-চড়াম আওয়াজ শোনান বিরোধীদের, এবার অনুব্রত মণ্ডলকে চড়াম-চড়াম শুনতে হবে। অমিত শাহের সফর থেকেই তার সূচনা হয়ে গেল।'
এদিকে অমিত শাহের আগমন উপলক্ষে সকাল থেকেই সরগরম ছিল বীরভূম জেলা। প্রশাসনিক তৎপরতাও ছিল চোখে পরার মত। এদিন তারাপুর থেকে আমিত শাহ সোজা চলে আসেন তারাপীঠ মন্দিরে। সেখানে প্রায় ১০ মিনিট ধরে মায়ের পুজো দেন তিনি। পুজোর দান সামগ্রী হিসাবে ছিল সিঙ্গার, বেনারসী শাড়ি,পদ্ম ফুল, জবা, অপরাজিতা, বেলপাতা ও আকন্দ। পুজোর সময় বিশেষ আরতির ব্যাবস্থা করা হয়েছিল। এদিন এই পুজোর সেবাইত ছিলেন পুলক চট্টোপাধ্যায়, নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়, রবি মুখোপাধ্যায় সহ পাঁচজন।
মন্দিরে পূজা সেরে ঠিক ১২টা নাগাদ আমিত শাহ তারাপুর স্বরস্বতী শিশুমন্দিরে আসেন। সেখানে কর্মীদের সাথে মিলিত হওয়ার কথা থাকলেও সময়সূচীর কারণে তা সম্ভব হয়নি বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এরপর দুপুরের আহার সেরে ১ টা নাগাদ হেলিকপ্টারেই পরবর্তী জনসভার জন্য পুরুলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যান আমিত শাহ।
দুপুরের আহারের দায়িত্বে থাকা বিজেপি মহিলা মোর্চা নেত্রী রুপা মন্ডল জানান, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর জন্য সম্পূর্ণ নিরামিষ আহারের ব্যাবস্থা করা হয়েছিল। মেনু ছিল ফ্রায়েড রাইস, মুগ ডাল, আলুপোস্ত, ছানার ডালনা, মিক্সড ভেজ, করলা ভাপা, ফ্রুট স্যালাড, ভাপা সন্দেশ ইত্যাদি। রুপা দেবী জানিয়েছেন, বাঙালি খাবারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আমিত শাহ।
