ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,কালনা: অন্যত্র বিয়ে ঠিক হচ্ছে জেনেও আপত্তি জানায়নি পাত্র কিংবা পাত্রী দুজনেই। এমনকি আশীর্বাদ হয়ে গিয়ে বিয়ের দিনও ঠিক করে ফেলেছিল দুজনের পরিবার। কিন্তু ছাতনাতলায় বসার আগেই কাকতলীয় ভাবে আত্মঘাতী হলেন পৃথক দুটি ঘটনায় পাত্র ও পাত্রী দুজনেই। এর মধ্যে একজন নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজের ছাত্রী,বাড়ি নাদনঘাট থানার মোল্লার বিল গ্রামে এবং অন্যজন হুগলির গুপ্তিপাড়ার যুবক দীপঙ্কর হালদার (২২)। মঙ্গলবার দুটি মৃতদেহেরই ময়নাতদন্ত হয় কালনা হাসপাতালে। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর দুই পরিবারেই নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
ছাত্রীটির পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,তার বিয়ে ঠিক হয় নদিয়ার চর ব্রহ্মনগরে। আশীর্বাদও সম্পন্ন হয় গত মাঘ মাসে। পাত্র পক্ষ ও ছাত্রীটির দুই পরিবার পাঁজি-পঞ্জিকা দেখে বিয়ের তারিখ ধরেছিলেন আগামী ১৩ বৈশাখ। কিন্তু মঙ্গলবার ভোরে শম্পার মৃতদেহ তারই শয়নকক্ষে ঝুলতে দেখা যায়।
অন্যদিকে ওপর একটি ঘটনায় একই ভাবে হুগলির গুপ্তিপাড়ার যুবক দীপঙ্কর হালদারেরও বিয়ে ঠিক হয়। কিন্তু তার ভাই উজ্জ্বল হালদার জানান,সোমবার রাত্রে খিদে পেয়েছে বলে মাকে ভাত বাড়তে বলে দীপংকর। তারপর হাত পা ধুতে গিয়ে দেরি করছে দেখে খোঁজ করতেই গোয়াল ঘরে গিয়ে দেখা যায় দীপঙ্করের ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ। সঙ্গে সঙ্গে তাকে কালনা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
দুই পরিবার থেকেই এদিন দাবি করা হয়েছে বিয়ের যোগাযোগ থেকে দিন ধরার সময় পর্যন্ত দুজনের কেউই বিয়েতে আপত্তি জানায়নি।

