Headlines
Loading...
গর্ভবতী অবস্থায় হেঁটে হাসপাতাল যাওয়ার পথেই প্রসবের পর মৃত্যু হল সদ্যজাতের।

গর্ভবতী অবস্থায় হেঁটে হাসপাতাল যাওয়ার পথেই প্রসবের পর মৃত্যু হল সদ্যজাতের।

ফোকাস বেঙ্গল ডেস্কঃ  সত্য সেলুকাস ,কি বিচিত্র এই দেশ। ইন্ডিয়া নাকি ডিজিটাল হয়েছে। আর এই ডিজিটাল ভারতের মাটিতে আজও তাই এমন দৃশ্য দেখতে হয়। গর্ভবতী অবস্থায় হেঁটে হাসপাতাল যাওয়ার সময় পথেই প্রসবের পর মৃত্যু হল সদ্যজাতের। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের কাটনি জেলায়।সেই ভয়ংকর দৃশ্য দেখে শিউরে উঠেছে গোটা দেশ। 
মঙ্গলবার সকালেই প্রসব যন্ত্রনা শুরু হয় কাটনি জেলার বারমানি গ্রামের বাসিন্দা বীনার। কাছাকাছি  কোনও স্বাস্থকেন্দ্র না থাকায় তিনি হাঁটতে শুরু করেন। ২০ কিলোমিটার পথ গিয়ে বারহি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছতে হত তাঁকে। অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায়নি। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফোন করে কোনও সদুত্তর মেলেনি বলেই জানিয়েছেন বীনার পরিবারের লোক। তাই হেঁটে যাওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না।অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিলেন। বারহি টাউন পর্যন্ত পৌঁছে যান। কিন্তু স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অনেক আগে থানার কাছেই প্রসব করেন তিনি। পরিবারের অভিযোগ, মাটিতে পড়ে মৃত্যু হয় সদ্যজাত শিশুকন্যার।
রক্তাক্ত বাচ্চার ছবি দেখে কেঁপে গেছে গোটা দেশ ৷ রাস্তায় বসে যন্ত্রণাকাতর মা ৷ সামনে মৃত সন্তান ৷ রক্তের ধারা গড়িয়ে পড়েছে রাস্তায় ৷ চোখ বন্ধ করেছে ভারতবাসী৷
আমাদের ডিজিটাল ভারত। স্বাস্থকেন্দ্র থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের দূরত্বে অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায় না। 
যদিও ওই জেলার চিফ মেডিক্যাল অ্যান্ড হেল্থ অফিসার অশোক আভাধিয়া জানিয়েছেন, ওই সদ্যজাতর বেঁচে থাকার কোনও সম্ভাবনা ছিল না, কারণ মাত্র সাত মাসেই অপরিণত অবস্থায় জন্ম হয়েছিল ওই শিশুর। 
কিন্তু অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া গেল না কেন? অফিসারের উত্তর, অ্যাম্বুলেন্স ছিল না। আর গর্ভবতী মহিলাদের জন্য বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ‘জননী এক্সপ্রেস’ তাঁদের এক্তিয়ারভুক্ত নয় , সবটাই কন্ট্রোল করা হয় রাজধানী ভোপাল থেকে। 
এইভাবে দায় ঘাড়ে চাপিয়ে আর কত মৃত্যুর অজুহাত তৈরি হবে আমাদের এই ডিজিটাল ভারতে সেই প্রশ্নের উত্তর জানে না কেউ ৷
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});