
ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,পূর্ব বর্ধমানঃ বুধবার বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ৯ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করলো বর্ধমান থানার পুলিশ। শুক্রবার অভিযুক্তদের আদালতে নিয়ে আসার সময় গাড়ি ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি কর্মী ও নেতারা। হাজির ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী, যুব মোর্চার সভাপতি শ্যামল রায় প্রমুখরাও।
গত বুধবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস ও রাজ্য সরকারের সার্বিক ব্যর্থতার প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল বিজেপি পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটি। সভা চলাকালীন বিজেপি কর্মীরা জি টি রোডে দাঁড়িয়ে পড়েন। ভিড় বাড়তে থাকায় পুলিশের গাড়ি সহ যানবাহন আটকে পড়ে। যানজট মুক্ত করতে আসেন বর্ধমান থানার অফিসার সমীর ঘোষ। এ নিয়ে বিজেপি কর্মীদের সাথে তাঁর বচসা বাধে। অভিযোগ, এ সময়ই সমীরবাবুকে হেনস্থা ও ধাক্কাধাক্কি, মারধোর করেন কয়েকজন বিজেপি কর্মী। এই ঘটনায় সমীরবাবু মোট ২০ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ গ্রেপ্তার করে গৌরাঙ্গ রজক দাস,অমিত মোদক, বাবলা দাস,অজয় দত্ত, সহদেব খাসকেল, প্রদীপ মণ্ডল,সঞ্জয় দাস, শুভম নিয়োগী এবং সমীর হালদারকে।
শ্যামল রায় এদিন অভিযোগ করেছেন, তৃণমুল নেতৃত্ব ভয় পেয়ে বিজেপিকে কোণঠাসা করার জন্য প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে চক্রান্ত করছে। তৃণমুল নেতাদের কাছে ভালো সাজার জন্য পুলিশ মিথ্যা মামলা দিয়েছে। তৃণমুলের লোকেরা ঢুকে পরে এই ঘটনা ঘটাতে পারে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমুলের দাবী, পুলিশের সাথে ঘটনা ঘটেছে, তৃণমুলের সাথে নয়। অকারণে তৃণমুলের নাম জড়িয়ে তৃণমুলকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছে বিজেপি। শুক্রবার ধৃত বিজেপি সমর্থকদের আদালতে পেশ করা হলে তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী না দাঁড়ানোয় ধৃতরা নিজেরাই নিজেদের পক্ষে সওয়াল করে জামিন চান। সরকারী আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন। বিচারক আগামী মঙ্গলবার ধৃতদের আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়ে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শ্যামল রায় এদিন অভিযোগ করেছেন, তৃণমুল নেতৃত্ব ভয় পেয়ে বিজেপিকে কোণঠাসা করার জন্য প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে চক্রান্ত করছে। তৃণমুল নেতাদের কাছে ভালো সাজার জন্য পুলিশ মিথ্যা মামলা দিয়েছে। তৃণমুলের লোকেরা ঢুকে পরে এই ঘটনা ঘটাতে পারে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমুলের দাবী, পুলিশের সাথে ঘটনা ঘটেছে, তৃণমুলের সাথে নয়। অকারণে তৃণমুলের নাম জড়িয়ে তৃণমুলকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছে বিজেপি। শুক্রবার ধৃত বিজেপি সমর্থকদের আদালতে পেশ করা হলে তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী না দাঁড়ানোয় ধৃতরা নিজেরাই নিজেদের পক্ষে সওয়াল করে জামিন চান। সরকারী আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন। বিচারক আগামী মঙ্গলবার ধৃতদের আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়ে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
