Headlines
Loading...
সমাজের জন্য কিছু করার তাগিদ নিয়ে আবার একজোট সেই ৮৮ সালে পাস করা ছেলেগুলো

সমাজের জন্য কিছু করার তাগিদ নিয়ে আবার একজোট সেই ৮৮ সালে পাস করা ছেলেগুলো




ফোকাস বেঙ্গল ডেস্ক,বর্ধমানঃ প্রায় ২৮ থেকে ৩০ বছর পর আবার অনেকেই এক জায়গায় জড়ো হয়েছে। তবু আজও অনেকেই ছন্নছাড়া। ওদের অনেককেই এখনো ওরা খুঁজে চলেছে আবার মিলিত হবার ইচ্ছায়। এরা সবাই বর্ধমান টাউন স্কুলের ১৯৮৮ সালের মাধ্যমিক পাস করে বেরোনো ছাত্র। সেই কবে স্কুলের গন্ডি শেষ হয়েছে। তারপর কে কোন দিকে নিজের নিজের কাজের তাগিদে চলে গিয়েছে, আর সে ভাবে কারোর সঙ্গে যোগাযোগ প্রায় ছিলই না। হঠাৎই এদের মধ্যেই দু একজনের প্রবল ইচ্ছায় আবার সবাইকে জড়ো করার প্রয়াস শুরু হয়েছে। খুঁজে বের করা হয়েছে সুদূর ইংল্যান্ডে কর্মরত এক বন্ধুকে। ওয়েলিংটন উটিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী তে কর্মরত বন্ধুকে। আরো কতো।

এরকমই দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিষ্ঠিত প্রায় ৩২ জন বন্ধুদের জোগাড় করে জীবনের মাঝবয়সে পৌঁছে সকলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সমাজের জন্য কিছু করার। শিক্ষিত হওয়ার প্রতিদান স্বরূপ সমাজকে আবার কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার। তারই প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে শহরের অলিগলি ঘুরে রাতের অন্ধকারে কিছু ভবঘুরে, অসহায় মানুষের গায়ে তাঁরা জড়িয়ে দিলেন শীতের কম্বল।

প্রাক্তন এই ছাত্রদের মধ্যে অরবিন্দ ঘোষ, দেবাশীষ ঘোষ, এহসান আলী, সমিত সেন, অনুপম কুণ্ডু, সুব্রত মুখার্জি, অচিন্ত্য কালিদহ, অনুপ, পারিজাত সাহা, আমিতাভ কোলে, বশির লায়েক,সৌরিশ দে প্রমুখরা জানিয়েছেন, প্রকৃত দুঃস্থ, অসহায় মানুষদের খুঁজে বের করে তাঁদেরকে এই সামান্য বস্তুটুকু তুলে দেবার চেষ্টা করছেন তাঁরা।

অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর লাগাতার ঠাণ্ডার প্রকোপ চলছেই। তাঁরা দেখেছেন অনেক মানুষ বিশেষ করে ভবঘুরেরা রাস্তার পাশে যত্রতত্র শুয়ে থাকেন। ঠাণ্ডায় অসহায় হয়ে তাঁরা কাঁপতে থাকেন। তাই প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে এদেরকেই বেছে নিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু তাঁরা কখনও চাননি কোনো মঞ্চ করে লোক জানিয়ে নিজেদের মেলে ধরার তাগিদ। এরই পাশাপাশি এই প্রাক্তনীরা জানিয়েছেন, এরপর তাঁরা তাঁদের প্রিয় টাউন স্কুলের দুঃস্থ ও মেধাবী ছাত্রদের জন্য এই স্কুলেরই প্রাক্তন শিক্ষকদের নামে খুব শীঘ্রই স্কলারশিপ চালু করতে চলেছেন।
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});