Headlines
Loading...
বর্ধমানে আগামী বছর মার্চের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে এশিয়ার বৃহত্তম ঝুলন্ত সেতু।

বর্ধমানে আগামী বছর মার্চের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে এশিয়ার বৃহত্তম ঝুলন্ত সেতু।

সৌরীশ দে,পূর্ব বর্ধমান:আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যেই বর্ধমানে চালু হয়ে যাবে এশিয়ার বৃহত্তম ঝুলন্ত সেতু।একই সঙ্গে এই সেতুর সঙ্গে যুক্ত চারদিকের এ্যাপ্রোচ রোডও চালু করে দেওয়া হবে বলে সোমবার জানালেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব। সোমবার এই এ্যাপ্রোচ রোড সংক্রান্ত জমি জটিলতা মিটিয়ে রেল দপ্তরের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০০ ডেসিমেল জমির কাগজপত্র তুলে দেওয়া হল।ফলে দুর্গাপুরমুখী এ্যাপ্রোচ রোডের জমি নিয়ে যে জটিলতা তৈরী হয়েছিল তার যেমন অনেকটাই সমাধান হলো পাশাপাশি রেলওয়ে ওভারব্রিজের কাজের সঙ্গে এ্যাপ্রোচ রোডের কাজের গতি আরও বাড়বে বলেই এদিন আশা প্রকাশ করেছেন রেল ও জেলা প্রশাসনের কর্তারা। 
উল্লেখ্য রেলওয়ে ওভারব্রীজের কাজ প্রায় শেষ। ইতিমধ্যেই কাটোয়া,কালনা এবং বর্ধমান শহরের দিকে থাকা এ্যাপ্রোচ রোডের কাজও অনেকটাই হয়ে গেছে।এরই মধ্যে সাময়িক জটিলতা দেখা দেয় দুর্গাপুরমুখী এ্যাপ্রোচ রোডের জমি নিয়ে।এই এ্যাপ্রোচ রোডের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৫ ডেসিমেল জমির। সোমবার সেই জটিলতার অনেকটাই কাটিয়ে ১০০ ডেসিমেল জমির কাগজপত্র জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রেল দপ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হলো। 
জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন,মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ রয়েছে কারও জমি জোড় করে নেওয়া যাবে না। তাই তাঁরা দফায় দফায় জমিদাতাদের সঙ্গে আলোচনা সেরেছেন।এই এলাকায় বেশ কয়েকজনের ব্যক্তিগত জমিও ছিল।জমিদাতাদের জমির বর্তমান মূল্যে দেড়গুণ দাম ছাড়াও জমির ওপর থাকা নির্মাণের মূল্যও দেওয়া হয়েছে।এই অংশে মোট জমিদাতা রয়েছেন প্রায় ৫১জন। এর মধ্যে কয়েকজন মামলা করায় এখনও কিছুটা জটিলতা রয়েছে।আশা করা যায় সেটাও খুব শীঘ্রই কেটে যাবে। জেলাশাসক জানান,এই অংশে এ্যাপ্রোচ রোডের জমির জন্য সরকারকে খরচ করতে হয়েছে ২৭ কোটি টাকা। 
স্থানীয় ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সেলিম খান জানিয়েছেন, বেশিরভাগ জমিদাতা সম্মতি দিলেও কয়েকজন এখনো জমি না দেওয়ায় কিছু সমস্যা রয়েছে। তাঁরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। শীঘ্রই কিছু একটা সমাধান সূত্র বেরোবে। 
এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব, রেল দপ্তরের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সহ পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা।

                                            ছবি - সুরজ প্রসাদ 

    
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});