Headlines
Loading...

ফোকাস বেঙ্গল ওয়েব ডেস্কঃ প্রকান্ড এক গ্রহাণু ক্রমশ এগিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। তবে পৃথিবীর সঙ্গে এর সংঘর্ষের সম্ভাবনা প্রায় ক্ষীণ। তাই এ যাত্রায় অল্পের জন্য রক্ষা পাচ্ছে পৃথিবী বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, শনিবার ভারতীয় সময় ভোর চারটে নাগাদ গ্রহাণুটি পৃথিবীর কান ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে।


নাসা সূত্রে জানা গেছে ,১৫-৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের এই গ্রহাণুটির নাম ২০১৮ সিবি। পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যবর্তী দূরত্বের পাঁচ ভাগের এক ভাগ, অর্থাৎ প্রায় ৬৪ হাজার কিলোমিটার দূর থেকে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে এই গ্রহাণু। পৃথিবীর খুব কাছে এলেও পৃথিবী এবং ওই গ্রহাণুর মধ্যে দুরত্ব থাকবে প্রায় ১ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। সুতরাং গ্রহাণুর সঙ্গে আমাদের গ্রহের সংঘর্ষ আপাতত হচ্ছেনা বলেই আশ্বাস দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। 

নাসার বিজ্ঞানী পল কোডাস জানিয়েছেন, গত ৪ ফেব্রুয়ারি এই গ্রহাণুকে আবিষ্কার করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। ২০১৩ সালেও এমনই আর এক গ্রহাণু পৃথিবীর এতটা কাছে এসেছিল। তবে এবারের গ্রহাণুটি তার চেয়ে ছোট। এই ধরনের গ্রহাণু বছরের একাধিক সময়েই পৃথিবীর কাছে আসে। কিন্তু সংঘর্ষের সম্ভাবনা সবসময় থাকেনা। 





ফের একবার পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে প্রকাণ্ড এক গ্রহাণু। তবে ভয়ের কোনও কারণ নেই। এবারের মত রক্ষা পাবে পৃথিবী। অন্যান্য বারের মতই কান ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে এই গ্রহাণু। নাসা সূত্রের খবর, ১৫ থেকে ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি গ্রহাণু পৃথিবীর কাছাকাছি আসতে চলেছে।

বিজ্ঞানীরা এর নাম রেখেছে ২০১৮ সিবি। পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যবর্তী দূরত্বের পাঁচ ভাগের এক ভাগ, অর্থাৎ প্রায় ৬৪ হাজার কিলোমিটার দূর থেকে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে এই গ্রহাণু। ভারতীয় সময় অনুযায়ী শনিবার ভোররাতে (৪.০০ এএম) মানব গ্রহের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে এই মহাকাশজাত বস্তু। পৃথিবী এবং ওই গ্রহাণুর মধ্যে দুরত্ব থাকবে প্রায় ১ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।

নাসা বিজ্ঞানী পল কোডাসর মতে, “আজ থেকে পাঁচ বছর আগে (২০১৩) পৃথিবীর এত কাছে এসেছিল এমনই এক গ্রহাণু। তবে ওই মহাকাশজাত বস্তুর থেকে এটি তুলনায় ছোট। বছরে এক, দু’বারই এমন ঘটনা ঘটে।” উল্লেখ্য, গত ৪ ফেব্রুয়ারি এই গ্রহাণুকে আবিষ্কার করেন নাসা বিজ্ঞানীরা।



বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহ বাড়াতে নয়া উদ্যোগ জেলা প্রশাসনের

বিপুন ভট্টাচার্য, বর্ধমান, ৯ ফেব্রুয়ারী – ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞান
বিষয়ক চেতনা ও আগ্রহ সৃষ্টি করতে তাদের সায়েন্স মিউজিয়ামে নিয়ে যাওয়া,
তাদের মধ্যে থাকা বিজ্ঞান বিষয় সুপ্ত ভাবনাকে উজ্জীবিত করার ওপর জোড় দিল
জেলা প্রশাসন। নবম ও দশম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের বিজ্ঞানের প্রতি এই
আগ্রহ বাড়াতে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন অভিনব উদ্যোগ নিল। বর্ধমানের
বিবেকানন্দ কলেজকে কেন্দ্র করে আশপাশের ১৫টি স্কুলকে নিয়ে প্রথম দফায়
বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে প্রতিটি স্কুল ভিত্তিক একটি করে স্বল্প
সময়ের তথ্যচিত্র তৈরীর নির্দেশ দেওয়া হল। পূর্ব বর্ধমান জেলা সর্বশিক্ষা
দপ্তরের উদ্যোগে এই নয়া প্রকল্পের বিষয়ে শুক্রবার প্রথম প্রশাসনিক স্তরে
বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। বৈঠকে হাজির ছিলেন জেলাশাসক অনুরাগ শ্রীবাস্তব সহ
বর্ধমান শহরের বেশ কয়েকটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক তথা বিজ্ঞান শিক্ষক এবং
জেলা সর্বশিক্ষা প্রকল্পাধিকারিক শারদ্বতি চৌধুরী প্রমুখ। জেলাশাসক
জানিয়েছেন, প্রথম দফায় বিবেকানন্দ কলেজে একটি করে ড্রপ বক্স রাখা হচ্ছে।
ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে বিজ্ঞানের আবিষ্কার তথা তাদের মধ্যে কি নতুন
উদ্ভাবন শক্তি রয়েছে তা ওই ড্রপ বক্সে লিখিত আকারে জানাবে। এরপর সংগৃহিত
ওই বিষয়গুলি নিয়ে তা বাছাই করে ছাত্রছাত্রীদের তা তৈরী করতে বলা হবে। এরই
পাশাপাশি প্রথম দফায় ১৫টি স্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষকদের বিজ্ঞান পড়ানোর ওপর
একটি স্বল্প সময়ের তথ্যচিত্র বানাতে বলা হয়েছে। ওই তথ্যচিত্রগুলি পরবর্তী
সময়ে অন্যান্য স্কুলেও প্রদর্শন করা হবে। জেলাশাসক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই
বিজ্ঞান বিষয়ক লার্নিং মেটিরিয়াল তৈরীর জন্য দুর্গাপুর এনআইটিকে বলা
হয়েছে। এছাড়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে প্রথম
দফায় ১৫টি স্কুলের ৩ করে ছাত্রছাত্রীকে নিয়ে কলকাতার সায়েন্স মিউজিয়ামে
নিয়ে যাবার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।(রাত্রে)



দুই রাজ্যের লোকসভা আসনের দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন৷ আগামী ১১ মার্চ বিহার ও উত্তর প্রদেশ এই দুই রাজ্যের মোট পাঁচটি আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে৷ ফল ঘোষণা করা হবে ১৪ই মার্চ৷

ওই দিন উত্তর প্রদেশের ফুলপুর ও গোরক্ষপুর এই দুই লোকসভা আসনে উপনির্বাচন হবে৷ গোরক্ষপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ যোগী আদিত্যনাথ৷ কিন্তু গত বছর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বিপুলভাবে জয়লাভের পর তিনি হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী৷ অন্যদিকে ফুলপুর কেন্দ্রের সাংসদ কেশব প্রসাদ মৌর্য উপমুখ্যমন্ত্রী পদ পান৷ এই দু’জনেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার সদস্য হয়ে যাওয়ায় লোকসভা আসন দুটি খালি পড়ে যায়৷ যার ফলে উপনির্বাচন অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে৷

১৯৯১ সাল থেকে বিজেপির দখলে গোরক্ষপুর আসনটি৷ অন্যদিকে ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের সময় মোদী ম্যাজিকে ভর করে ফুলপুর কেন্দ্রটি বিজেপির দখলে যায়৷ এতদিন এই কেন্দ্রটি কংগ্রেসের দখলে ছিল৷ বিজেপি আশাবাদী আসন্ন উপনির্বাচনে এই কেন্দ্র দুটিতে তারাই ক্ষমতা ধরে রাখতে চলেছে৷ শুধু ক্ষমতা ধরে রাখা নয়, গতবারের চেয়ে বেশি মার্জিন ভোটে তারা জিতবে৷


ওদিকে বিহারের আরারিয়া, ভাবুয়া ও জেহানাবাদ লোকসভা আসনে উপনির্বাচন হবে ওই একই দিনে৷ নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পাঁচটি আসনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ২০ ফেব্রুয়ারি৷ প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৩ ফেব্রুয়ারি৷ সব নির্বাচনী কেন্দ্রে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট ব্যবহার করা হবে৷
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});